দুর্গম বন থেকে গাছ কেটে পাচার, চার বোটভর্তি কাঠ আটক

রাঙ্গামাটি দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জারের নেতৃত্বে-

ডেস্ক রিপোর্ট, চট্টগ্রাম 

রাঙামাটিতে প্রবেশের সময় অভিযান চালিয়ে চারটি বোটভর্তি বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ জব্দ করেছে রাঙামাটির দক্ষিণ বন বিভাগ। বন বিভাগের দাবি, জব্দ করা কাঠের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে জব্দ করা সেগুন প্রজাতির গোল কাঠগুলো বোট থেকে নামিয়ে বন বিভাগের কার্যালয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি-কাপ্তাই নৌপথের ঝগড়াবিল এলাকায় সন্দেহজনকভাবে কয়েকটি কাঠবোঝাই বোটের অবস্থানের খবর পায় বন বিভাগ। পরে রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে রাঙামাটির দিকে আসা চারটি বোট আটক করা হয়। এ সময় বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। পরে কাঠবোঝাই বোটগুলো জব্দ করে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়।

রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ বলেন, ‘‘সেগুন কাঠ ভর্তি কয়েকটি বোট কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে রাঙামাটিতে প্রবেশ করবে এমন তথ্য পাওয়া যায়। পরে শুক্রবার বিকেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সদর রেঞ্জের সদস্যরা কাপ্তাই হ্রদের ঝগড়াবিল এলাকায় নৌ-পথে অভিযান চালিয়ে সেগুলো জব্দ করে।’’

তিনি জানান, চারটি বোটে আনুমানিক সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট সেগুন কাঠ রয়েছে। জব্দ করা কাঠের বিষয়ে সিজার লিস্ট প্রস্তুত করে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

জব্দ করা চারটি বোটের কাঠের মালিকানা ও কাঠের উৎস এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বন বিভাগ।

রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ দৈনিক এদিন প্রতিবেদককে জানান, জব্দ করা কাঠের সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের পর কাঠের মালিকানা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.