চট্টগ্রামে অননুমোদিত, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল খাদ্যপণ্য, পানীয় এমনকি ওষুধও মিলছে নগরের বিভিন্ন দোকান ও ফার্মেসিতে। এসব অপরাধে ৭টি দোকান ও ফার্মেসিকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিকার অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।
মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, কোতোয়ালী থানার সাবএরিয়া বাজারের ডেইলি মার্টকে অননুমোদিত এনার্জি ড্রিংক, নকল চেরি সংরক্ষণ, মোড়কজাত বিধি না মানা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ফ্লেভারস সুইটস অ্যান্ড বেকারসকে প্যাকেটজাত পেস্ট্রি কেক ও প্লেইন কেকে উৎপাদন, মেয়াদ উল্লেখ না করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়েছে। মোমিন রোডের বনফুলকে অননুমোদিত এনার্জি ড্রিংক রাখা, বৈধ আমদানিকারকবিহীন বিদেশি পণ্য রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অননুমোদিত এনার্জি ড্রিংক ধ্বংস করা হয়েছে।
জাহান ফুডকে (পরিবেশক সিজল) মেয়াদোত্তীর্ণ দই-মিষ্টি সংরক্ষণ করায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা, বাকলিয়া থানার বাংলাদেশ সুইটসকে ছাপানো নিউজপ্রিন্টে খাবার সংরক্ষণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দেওয়ান বাজারের নূরজাহান সুপারশপকে মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য (গুঁড়োদুধ) সংরক্ষণ ও লেবেলবিহীন মোড়কজাত তরল দুধ সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চৌধুরী মেডিকোকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন ওষুধ সংরক্ষণ করায় ৮ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত ওষুধ ধ্বংস করা হয়।
জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।