মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, প্রদীপ প্রজ্জলনের কর্মসূচি পালন করা হয়।
রোববার (৩১ জুলাই) রাত ১২টা ১মিনিটে বড়পুলের বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য বজ্রকণ্ঠে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দরা।
পরে মশাল হাতে নেতৃবৃন্দরা বড়পুল হয়ে আশেপাশে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। মশাল মিছিল শেষে সংগঠনের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম আজিম।
তিনি বলেন, ‘১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে- শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।’
তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি, তার সহধর্মিণী আরজু মণিসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। আরও প্রাণ হারান রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব কর্নেল জামিল।’
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্যের এই পৈশাচিকতায় গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে প্রচণ্ড ঘৃণার ঝড়। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তার স্বাধীন একটি রাষ্ট্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্পন্দন থাকবে, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ ও বাঙালি থাকবে- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ততদিন শ্রদ্ধাভরে উচ্চারিত হবে।’
একেএম আজিম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এভাবেই যদি এগিয়ে যায় বাংলাদেশ, তাহলে বিশ্বের কেউই বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবে না এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হবে।’
উপস্থিত ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি হেলাল উদ্দীন, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, তসলিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ, মনোয়ার জাহান মনি, নাজমুল হুদা শিপন, মোহাম্মদ আজিজ মিসির, আজাদ খান অভি, আব্দুর রশিদ লোকমান, মিনহাজুল আবেদীন সায়েম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, আব্দুল আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ খান, প্রচার সম্পাদক তোসাদ্দেক নূর চৌধুরী তপুসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।