পদুয়ার সন্তান মাহবুবুর রহমান পেল কক্সবাজার পৌরসভার নৌকার বৈঠা

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের নাম ঘোষণা করেন।

মাহবুবুর রহমান চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষ্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। কেননা সবার ধারণা ছিল, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান আবারও মনোনয়ন বাগিয়ে আনবেন।

জানা গেছে, আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠিতব্য কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে সাত জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বর্তমান মেয়র মুজিবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, মাসুদুল হক রাশেদ, সাবেক সদস্য রাশেদুল ইসলাম, সাবেক অর্থ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাবেক চারবারের পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয়।

মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিত্বের ক্যারিয়ার বিশাল দীর্ঘ। তিনি দীর্ঘকাল জেলা ছাত্রলীগ ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সাথে কক্সবাজার পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের টানা ২২ বছর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিন বছর মেয়রের দায়িত্ব পালনকাল প্রভাবশালীদের কবজা থেকে নালা নর্দমা উদ্ধার করে কক্সবাজার শহরকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করেছিলেন। এছাড়াও নানা উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছিলেন। এ কারণে পৌরবাসীর একটি বিশাল অংশ তাকে মেয়র হিসেবে চাইতেন। গতবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে ধরা হয়। তার যেমন বিশাল কর্মীবাহিনী রয়েছে তেমনি দলের কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের সাথে ভালো যোগাযোগ রয়েছ তার। মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর জন্মস্থান চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়। পৈত্রিক ব্যবসার সুবাদে ছোটবেলা থেকে কক্সবাজার শহরে বসবাস করছেন তারা কক্সবাজার শহরে বসবাস করছেন তারা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.