এতে প্রধান অতিথি থাকবেন সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী।
বলী খেলার উদযাপন কমিটির সহ সভাপতি চৌধুরী ফরিদ বাংলানিউজকে জানান, আজ দুপুর ১১টা থেকে সিটি করপোরেশন লাইব্রেরীতে বলী খেলার রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে।আগ্রহীরা সেখানে নিজেদের নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, বলী খেলার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। দুপুরে এ প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করবেন সিএমপি কমিশনার। প্রধান অতিথি থাকবে চসিক মেয়র। বলী খেলাকে কেন্দ্র করে লোকজ মেলা আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে জব্বারের বলী খেলা ও বৈশাখী মেলাকে ঘিরে লালদীঘি ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি লালদীঘি ও আশপাশের সাত পয়েন্টে দুই শতাধিক অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি থাকছে সাদা পোশাকধারী পুলিশ ও গোয়েন্দা।
বলী খেলার ইতিহাস:
বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ এবং একই সঙ্গে বাঙালি যুবসম্প্রদায়ের মধ্যে ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব গড়ে তোলা এবং শক্তিমত্তা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের মনোবল বাড়ানোর উদ্দেশ্যে আন্দোলনের কৌশলী সংগঠক চট্টগ্রাম নগরীর বদরপাতি এলাকার সওদাগর আবদুল জব্বার ১৯০৯ সালে বলী খেলার সূচনা করেন। সেই থেকে প্রতি বছরের বৈশাখ মাসের ১২ তারিখ এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ব্যতিক্রমধর্মী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য ব্রিটিশ সরকার আবদুল জব্বার মিয়াকে খান বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল আয়োজিত জব্বারের বলী খেলার ১১৩তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় চকরিয়া উপজেলার তরিকুল ইসলাম জীবন।