চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দোকানির হাতে এক মাদ্রাসাছাত্র বলাৎকারের ঘটনায় আসামি বাবলা গ্রেপ্তার না হতেই আরেক বলাৎকার কাণ্ড ঘটে গেল সদর ইউনিয়নের বাহাদির পাড়ায়। ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে দিনের পর দিন বলাৎকার করে আসছিলো শিক্ষক রেজাউল। রাজি না হলে ওই ছাত্রকে চালাতো নির্মম নির্যাতন। সবশেষ শুক্রবার বলাৎকারকাণ্ড ঘটিয়ে ধরা পড়েছে রেজাউল।
ভিকটিমের বাড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বলে জানাযায়।
শনিবার সকালে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভৎস এ ঘটনার কথা মা-বাবাকে জানায়। তারা থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযুক্ত রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে।
রেজাউল উত্তর আমিরাবাদ জলিল নগর নজু মিয়া পাড়া এলাকার মাহমুদুল হকের ছেলে। সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বাহাদির পাড়া এলাকায় জনৈক বেলাল হুজুরের মাদ্রাসার শিক্ষক। জনৈক ওই বেলাল হুজুরের বিরুদ্ধেও বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে। ইতোপূর্বে তিনিও বলাৎকারের ঘটনায় জেল খেটে এসেছেন।
এরআগে গত সপ্তাহে পৌরসদরের ভোয়ালিয়া পাড়ায় টাকা আম ও স্প্রাইটের লোভ দেখিয়ে আরেক শিশুকে বলাৎকার করে স্থানীয় দোকানি সাহাবুদ্দিন বাবলা। ঘটনার দিন থেকে এখনো পর্যন্ত অধরা তিনি।
সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হচ্ছে।