অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির তফসিল

 

বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা ও অনিশ্চয়তা। নির্বাচন আয়োজন, দায়িত্ব হস্তান্তর ও কমিটির বৈধতা নিয়ে আইনজীবীদের দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় সমিতির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সমিতি সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর ২০ জানুয়ারি সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তা স্থগিত করা হয়। পরে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন না হলে পাঁচ সদস্যের এডহক কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে বিধায় এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থেই নতুন করে ওকালতনামা ও বার ফরম ছাপানো হয়েছে। উক্ত এডহক কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে গত ২৬ জানুয়ারী বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বিগত ৭ জানুয়ারী তারিখে গঠিত নির্বাচন কমিশনের ২ জন সহকারী কমিশনার পদত্যাগ করার কারণে নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন বিলুপ্ত ঘোষণার পরেও তফসিল ঘোষণা করা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বানোয়াট মিথ্যা কল্পকাহিনী মাত্র। যে কথিত নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সংবাদ তাহার কোন আইনগত ব্যক্তি নেই।
যাহা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

এডহক কমিটির আহ্বায়ক এডভোকেট দিলীপ কুমার দাস ও সদস্য সচিব এডভোকেট বোরহান উদ্দিন মাতবর নূরী সহ ২২ জন আইনজীবীর সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন না হলে পাঁচ সদস্যের এডহক কমিটি গঠনের সুযোগ রয়েছে। সেই বিধান অনুসরণ করেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থেই নতুন করে ওকালতনামা ও বার ফরম ছাপানো হয়েছে। বিগত ১৫ ফেব্রুয়ারী কয়েকটি ভূঁইফোড় অনলাইনে প্রকাশিত ” অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির তফসিল,
প্রচারণায় কড়াকড়ি “শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সহ যে কথিত নির্বাচন কমিশনের কথা বলা হয়েছে সংবাদে তার কোন আইনগত ভিত্তি নাই। পাশাপাশি এডহক কমিটি আহবায়ক এড. দিলীপ কুমার দাশ কে” ইসকন”র সাথে জড়িয়ে দিয়ে এডহক কমিটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার
নানান পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সংবাদ প্রকাশ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.