কারখানা কাজ করেন অথচ স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদাসীন আবার অধিকাংশ কর্মী আক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের ছোঁয়া়চে রোগে। এছাড়াও পুরো কারখানার পরিবেশ নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। এতসব অসঙ্গতি থাকার পরও কারখান উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে কিষোয়ান স্ন্যাকস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
বুধবার (১৭ মে) অভিযান চালিয়ে এমন অনিয়ম খুঁজে পায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা ও মেট্রো কার্যালয়ের একটি দল।
পরে প্রতিষ্ঠানটি পক্ষ থেকে মুচলেকা দিলে এক মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার ফারহান ইসলাম জানান, কিষোয়ান স্ন্যাকস কারখানায় কাঁচামাল সংগ্রহ ও বাছাইকরণ থেকে শুরু করে খাদ্যপণ্য উৎপাদনসহ ফিনিশড প্রোডাক্ট পর্যন্ত প্রত্যেকটি ধাপে ঘুরে দেখে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের টিম। এতে নানা ধরণের অনিয়ম পাওয়া যায়। এমন কি প্রতিষ্ঠানটির খাদ্য পণ্যের সেল্ফ লাইফ স্টাডি রিপোর্ট (মেয়াদের প্রমাণপত্র) যথাযথভাবে ছিল না।
অভিযোগ স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির সহ মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) কাজী আসাদুজ্জামান স্বেচ্ছায় অঙ্গিকারনামা দেওয়ায় সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশোধিত না হলে মোবাইল কোর্ট কিংবা বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে নিয়মিত মামলা দায়েরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আইনের আওতায় আনা হবে।