বাণিজ্য মেলা: শেষ হইয়াও হইল না শেষ- আবারো বন্ধের ঘোষণা প্রশাসনের
ঘাম ঝরিয়ে মেলা বন্ধ করেও হুশিয়ারি কানে নেয়নি-
সাতকানিয়া প্রতিনিধি
অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে, শেষ হইয়াও হইল না শেষ’। ছোটগল্প নিয়ে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই চরণের মতোই অবস্থা কেরানীহাটের বাণিজ্য মেলার।কঠিন হুশিয়ারির মধ্য দিয়ে বন্ধ করা হলেও হয়নি কাঙ্ক্ষিত আসল বন্ধ ও স্থিতিশীলতা।
অনেকটা চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাটের বাণিজ্য মেলা নিয়ে আয়োজক আর উপজেলা প্রশাসনের ভেতরকার যেন মেঘ- রোদ বৃষ্টির মান অভিমানের খেলা।
এই অভিমানের খেলা গড়ায় মৃদু অভিযানে -হয় বাণিজ্য মেলা বন্ধ, আর আঁড়ালের ভেতরকার হাসিতে থেকে যায় সী ওয়ার্ল্ডের আয়োজিত মেলার আয়োজক ও ব্যবসায়ীরা।
বানিজ্য মেলা নিয়ে মন দেয়া নেয়ার অভিমানের মতোই সর্বশেষ খোদ সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন দ্বিতীয় বারের মতো একই মেলা পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ই ডিসেম্বর) সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন দ্বিতীয় বারের মতো বাণিজ্য মেলাটি জনরোষের চাপে বন্ধ করে দেয়।
জানা যায় -চট্টগ্রামের কেরানী হাটের অনুমোদনবিহীন বাণিজ্য মেলা- সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন মাইকিং করে এবং যৌথবাহিনীসহ গত ২২শে নভেম্বর রাত ৮টার দিকে বন্ধ ঘোষণা করে অনুমোদনহীন আখ্যা দিয়ে উক্ত মেলার কার্যক্রম শেষ/স্থগিত করে দেন।
ফলে বন্ধের বিষয়টি সাতকানিয়া বাসীকে জানানোর উদ্দ্যেশ্যে -সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ডের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়, যা স্থানীয় সাংবাদিকরা প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিয়ে নিউজও করেছিল।
কোন এক রহস্যময় কারণে, উপজেলা প্রশাসন প্রায় ৫ঘন্টা পর উক্ত স্ট্যাটাস তাদের পেজে হাইড করে রাখেন।
অবশ্যই পরে আবার ওই পোষ্ট পাবলিকও করা হয়, যা নিয়েও চলছিলো সাতকানিয়া জুড়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনা।
এতকিছুর পরও অবশ্যই জনরোষের ভয়ে প্রশাসন মেলাটি বন্ধ করে দেন।
কিন্তু বাণিজ্য মেলা বন্ধ করে ২০দিন পরও মেলার আয়োজক আর দোকানদাররা অদৃশ্য কোন শক্তির সাথে দেনদরবার করছিলো বিধায় তারা ব্যবসা না করেও বাসা ভাড়া নিয়ে কেরানী হাট সী ওয়ার্ল্ডের ওখানে থেকে যায়।
‘ফলে ঘাম ঝরিয়ে মেলা বন্ধ করেও হুশিয়ারি কানে নেয়নি মেলার আয়োজক’ আবারো দ্বিতীয় বারের মতো গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্ধ করতে হলো সেদিন ঢাকঢোল পিটিয়ে বন্ধ করে দেয়া আলোচিত বানিজ্য মেলাটি।