কেরানীহাটে উচ্ছেদ হলো স্থাপনা, আগের টিআই’ও বদলি হলো- বদল হয়নি যানজট, বরং বেড়েছে আরো

দক্ষিণ চট্টগ্রামের কেরানীহাটের যানজটের চিত্রে নেই পরিবর্তন -

 

সৈয়দ আককাস উদদীন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানীহাট বাজার এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ হকার উচ্ছেদ করা হলেও যানজটের দুর্ভোগ কমেনি। বরং স্থানীয়দের অভিযোগ, যানজট এখন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছাড়িয়ে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পরও যানবাহন চলাচলে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি মেলেনি; উল্টো নতুন এলাকায় যানজটের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সন্ধ্যায় সরেজমিনে দেখা যায়, কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে দীর্ঘ সারিতে বাস, ট্রাক, পিকআপ, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন আটকে আছে। এছাড়া কেরানীহাট গরুর বাজার থেকে মিঠাদিঘী এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের ভাষ্য, সড়কের পাশ থেকে হকার সরানো হলেও সড়ক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব, অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে যানজট এখন অন্য সড়কে স্থানান্তরিত হয়েছে। এতে স্থানীয় এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু হকার উচ্ছেদ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। কেরানীহাটের সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্থানে গণপরিবহন থামানো এবং নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা না গেলে যানজট আরও বাড়তে পারে।

সচেতন মহলের মতে, কেরানীহাট দেশের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে সমন্বিত ট্রাফিক পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। তা না হলে এক সড়ক থেকে যানজট সরে গিয়ে অন্য সড়কে ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

যানজটের কথা শিকার করে কেরানীহাট পুলিশ বক্সের ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মো. মাহবুব জানান, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পাশাপাশি বান্দরবান–কেরানীহাট সড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে এবং যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন,আজকে শুক্রবার আর পূজার লম্বা ছুটি সবাই বেড়াতে কিংবা বাড়িতে যাচ্ছে। আর বান্দরবানে প্রায় ১০০টির উপর গাড়ী গেছে পর্যটন স্পটের মোড় তো কেরানীহাট সবমিলিয়ে তাই একটু চাপ।তিনি আরো যোগ করেন উচ্ছেদ পরবর্তী তাদের জিনিস গুলো সরাচ্ছে সবাই তাই ওদিকেও একটু চাপ পড়ছে সেটা সঠিক।

 

উল্লেখ্য-আগের টিআই’র অবহেলা এবং বিভিন্ন অনিয়মের জেরে যানজট দীর্ঘ হচ্ছে এমন শিরোনামে ‘চট্টগ্রাম সংবাদ ‘দৈনিক সকালের সময় ও ঢাকা রিপোর্টে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ তৎকালীন টিআই নুরে আলম সিদ্দিকীকে দ্রুত সরিয়ে দেয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.