সাতকানিয়ায় মায়ের মামলা প্রত্যাহারে পুত্রকে ফাঁসানো হচ্ছে মিথ্যা মামলায়

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়ার নলুয়ার ৩নং ওয়ার্ডে এক বয়স্ক মহিলার দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে ব্যর্থ হয়ে মহিলার ছেলেকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়ার ৩নং ওয়ার্ডের আলী ফকির বাড়ীর জাফর আহমদের স্ত্রী আছিয়া বেগম এমন অভিযোগ করেছেন একই এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলো সুরত আলী(৫৫)আব্দুল মজিদের ছেলে মোঃআলী ফোরকান , মিসকাত সাখাওয়াত হোসেন রাজু,মহিউদদীন,ইসরাত জাহান,মহিদুল আলম রফিকুল ইসলামদের বিরুদ্ধে। আজ ৪ঠা ডিসেম্বর( বৃহস্পতিবার) আছিয়া বেগমের বসতভিটায় এমন হুমকি ধমকির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়সূত্রে জানাযায়,জাফর আহমদদের সাথে বহু আগে থেকেই জমিজমার বিরোধ চলে আসছিলো একই এলাকার সুরত আলী গংদের সাথে। এক পর্যায়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সুরত আলীসহ সাঙ্গপাঙ্গরা জাফর আহমদের স্ত্রী আছিয়াবেগমও পরিবারের অন্যান্য সদস্যগনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাও শ্লীলতাহানিসহ মারধরও ছিনতাই এর মত ঘটনা ঘটান। ওই ঘটনায় গেলো ২৪শে মার্চ জাফর আহমদের স্ত্রী বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে সুরত আলী গ্রুপ আছিয়া বেগমের দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারে বিভিন্নসময় হুমকি ধমকি এবং সামাজিক ভাবে প্রেসারও মানষিক হয়রানি করেও ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে বাদী আছিয়া বেগমও আছিয়া বেগমের ছেলে মোঃকাউসার(৩৩)কে সহ মোট ৭জনকে আসামী করে গত ২৩শে মে তারিখে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বাদী আছিয়া বেগমের পূর্বে দায়ের করা মামলার ৮নং আসামী মহিদুলের শিশু কন্যাকে আছিয়া বেগমের ছেলে কাউসার গরম খন্তা দিয়ে তলপেটে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে আঘাত করেন। কিন্তু আঘাতের বিষয়ে ওদিন স্থানীয়দের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান ওই এই সংক্রান্ত কোন ঘটনায় ঘটেনি। এদিকে বাদীনির ছেলে কাউসার জানান,আমি ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করি,সুরত আলীদের সাথে আমাদের জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো কিন্তু এক পর্যায়ে সুরত আলীগংরা আমার মা-সহ পরিবারের উপরের চড়াও হলে ওই ঘটনায় মাননীয় আদালতের নির্দেশে সাতকানিয়া থানায় মামলা রেকর্ড করায়, প্রতিপক্ষের একটি কন্যা সন্তান বিচি ভাঙ্গতে গিয়ে ওই বিচি পেটে পড়ে সামান্য রক্তজমাট হলে ওটাকেই ইস্যু বানিয়ে আমার বিরুদ্ধেসহ পরিবারের সবাইকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন কুখ্যাত সুরত আলী এটা আসলেই হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। আমাদের সামাজিকও রাজনৈতিক ভাবে সম্মান ক্ষুন্ন করতেই মূলত একটি চক্রের ইন্ধনে তারা বার বার শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে যাচ্ছে,আমরা এসব সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি। তিনি আরো বলেন আমার ভাই শহিদুল আলমের ২০১৭সালে হাতে থাকা আমার শশুরের একটি লাইসেন্সধারী এয়ারগানের ছবি দিয়ে মাননীয় আদালতকে ভুল বুঝিয়েও মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে অনুরোধ জানাবো আসলেই বাস্তব জিনিষটা উদঘাটনের জন্য।

চট্টগ্রাম সংবাদ/ আই এইচ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.