চবিতে চাকরির নামে ঘুষ, সেই কর্মচারী বরখাস্ত

চাকরি দেওয়ার নামে তিন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা আদায়ের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কর্মচারী মানিক চন্দ্র দাসকে।

রোববার (০৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে রোববার দুপুরে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছি আমরা। ইতোমধ্যে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বহিষ্কার করা হবে।

এ ঘটনায় শনিবার (০৬ আগস্ট) চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান বাদী হয়ে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া চার সদস্যের তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩১ মে ও ০১ জুন নিম্নমান সহকারী ও অফিস সহকারী পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেখানে নিম্নমান সহকারী ও অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মাদারীপুরের রাকিব ফরাজী, সোহেল খান ও মাকসুদুল সালেহীনের কাছ থেকে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রেজিস্ট্রার দফতরের অফিসার সেলে গ্রন্থাকার সহকারী গ্রেড-২ পদে কর্মরত মানিক চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে। তিনি চাকরিপ্রার্থীদের কাছে নিজেকে সেকশন অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে এ টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.