কিশোর গ্যাং লিডারের আঘাতে শরীরে ১০০ সেলাই, সারাদিনেও গ্যাং লিডারের হদিস পায়নি পুলিশ

সাতকানিয়ার কেঁওচিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় কিশোর গ্যাং লিডার পারভেজ ও তার অনুসারিদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে জালাল উদ্দীন। বৃহস্পতিবার সকালে কেরানীহাটে টিউবওয়েলের সরঞ্জাম কিনতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতে জালাল উদ্দীনের শরীরে হয়েছে ১০০ সেলাই। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কাতরাচ্ছে জালাল উদ্দীন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কবির আহমদ নামে আরেক পথচারী।

ঘটনার প্রায় ১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ওই কিশোর গ্যাং লিডার ও তার অনুসারিদের টিকিও ছুঁতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তার হদিসও মিলেনি। এতে করে এলাকায় চরম থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এর আগে পৌরসভার ভোয়ালিয়া পাড়ায় শিশু বলাৎকারকারী বাবলাকেও এখন পর্যন্ত ধরতে পারেনি পুলিশ।

জালাল উদ্দীন কেঁওচিয়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। অন্যদিকে পুলিশের তথ্যমতে পারভেজ কেঁওচিয়া চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, সকালে টিওবওয়েলের সরঞ্জাম কিনতে কেরানীহাট যাচ্ছিলেন জালাল। পথিমধ্যে কিশোর গ্যাং লিডার পারভেজ ও তার অনুসারী রিমন, শাকিল, আজাদ, মনজুর, তারেক, সেলিম তাকে ছুরিকাঘাত করে। এতে তার অবস্থা গুরুতর দেখলে তারা পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে যাওয়া এসআই প্রবীর বলেন, পারভেজকেসহ তার সহযোগীদের ধরতে পুলিশ তৎপর, এবং পারভেজ এর ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়,

কোন দেশীয় অস্তশস্ত্র জব্দ করা হলো কী না প্রশ্নে তিনি বলেন না ওরকম কিছু পায়নি তবে জালালকে কুপিয়ে বেশী জখম করা হয় সেটা সঠিক।

কেঁওচিয়ার চেয়ারম্যান ওসমান আলী বলেন, কেওচিয়ার তেমুহনীর কিশোর গ্যাং ইউনিটের প্রধান পারভেজ শুধু একা নয় তার বাবা ভাইস সহ পুরো পরিবারই এই অপকর্মে জড়িত। আর পারভেজ সারাদিনই ইয়াবা খায়, আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এলাকার মানুষের সাথে সারাদিন বৈঠকের পর বৈঠক করছি।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত বলেন, আহত ব্যক্তি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি, তারপরেও আসামী ধরে ফেলবে পুলিশ এটা নিশ্চিত।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.