সাতকানিয়া প্রতিনিধি
সাতকানিয়ায় চলাচলের রাস্তায় ময়লা ফেলার কারণ জানতে চাওয়ার জের ধরে একজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। বুধবার সকালে উপজেলার উত্তর ঢেমশার আলমগীর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন— ওই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে আবুল বশর, তার ছেলে মুহাম্মদ রাকিব, আবুল বশরের ভাই শামসুল ইসলাম, স্ত্রী রাবেয়া বেগম, আরেক ছেলে শোয়াইব, ভাতিজা মুহাম্মদ সাকিব, ভাইয়ের স্ত্রী কামরুন্নাহার।
জানা গেছে, বুধবার রাত ৯টার দিকে বসতবাড়ির সামনে অভিযুক্ত আবুল বশরের সামনের রাস্তায় পলিথিনে করে বাথরুমের ময়লা ফেলে চলে যায়। আওয়াজ শুনে চাচা আলমগীর বের হয়ে দেখেন পুকুরে হাত ধুচ্ছেন অভিযুক্ত আবুল বশর। তখন তাকে রাস্তায় ময়লা ফেলার কারণ জানতেই ক্ষিপ্ত হয়ে শামসুল ইসলামের পরিবারের সবাই বের হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। তখন ছোট ভাই মিফতাহুল ইসলাম শিহাব ঘর থেকে বের হয়ে তাদের গালিগালাজ না করার অনুরোধ করেন। তখন অভিযুক্ত আবুল বশর ‘এই শিহাব তুই যদি বের হস তোকে খেয়ে ফেলবো’ বলেই ধারালো ছুরি দিয়ে মারতে এগিয়ে আসে। তখন আমার ভাই শিহাব ভয়ে চলে যেতে চাইলে আবুল বশরের ভাই শামসুল ইসলাম লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করে পিছন থেকে মাথায় স্বজোরে বারি মারে। এতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন অন্যান্যদের কেউ শিহাবের হাতপা চেপে ধরে, কেউ আলমগীরকে দৌড়াইয়া পুকুরে ফেলে দেয়। ‘এই রাকিব চুরি ঢুকিয়ে দিয়ে পেট কেটে দে।’— এই কথা বলার সাথে সাথে শিহাবের পেটে ছুরি চালিয়ে দিয়ে পেটের নাড়িবুড়ি বের করে দেয় এবং হয়েছে হয়েছে বলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে চলে যায়। তখন ভিকটিম চাচা ও মা, চাচীরা এসে মুমুর্ষ অবস্থায় শিহাবকে উদ্ধার করে সাতকানিয়াস্থ আশ-শেফা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থা আশঙ্খাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ভিকটিম বর্তমানে ২৪ নং ওয়ার্ডের এমপি-৪ নং বেডে মুমুর্ষ অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এদিকে সাতকানিয়া থানার ওসি ইয়াসির আরাফাত বলেন অপরাধীদের ধরতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।