আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাউজান পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়িতে নিজ বসতঘরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগের দিন গতকাল বুধবার তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতাল থেকে তাকে বাড়ি নিয়ে আসা হয়। নিহত রিয়াজ ওই এলাকার সিদ্দিক চৌধুরীর বাড়ির আবদুল মজিদ ওরফে কালু সওদাগরের ছেলে এবং ঘটনাস্থলে প্রাণ হারানো আলমগীর ওরফে ডাকাত আলমের আপন চাচাতো ভাই।
রিয়াজ প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার অনুসারী এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২৫ অক্টোবর বিকাল সোয়া ৫টায় রাউজান পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজার সংযোগ রশিদর পাড়া যাওয়ার সড়কে কায়কোবাদ আহমদ জামে মসজিদের সামনে আলমগীর ওরফে ডাকাত আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে একদল দুর্বৃত্তরা।
ঘটনাস্থলে ডাকাত আলম প্রাণ হারালেও তার চাচাতো ভাই রিয়াজ বুকের বাম পাশে গুলি লাগে। তাকে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অর্থের অভাবে চিকিৎসা প্রদান কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।
৭ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ টাকার মধ্যে আর্থিক অস্বচ্ছলতা বিবেচনা করে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭২৬ টাকা মওকুফ করে বাকী টাকা পরিশোধের মাধ্যমে তাকে বাড়িতে আনা হয়। বাড়িতে আনার প্রায় ১৭ ঘন্টা পর তিনি মারা যান।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর বিষয়ে আমাদের কেউ জানায়নি। সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ঘটনার দিন আলমগীর নামে একজন নিহত হয়েছিলেন। আলমগীর ঘটনাস্থলে নিহত হলেও গুলিবিদ্ধ রিয়াজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল বলে জেনেছি। নিহত রিয়াজের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।