রেঞ্জার সাইফুলকে জড়িয়ে প্রকাশিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন-

প্রেস রিলিজ 

দৈনিক দিনকাল পত্রিকায় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্ব জমা না দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তার গড়িমসি শিরোনামে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনসহ অন্যান্য পত্রিকা, অনলাইন মিডিয়া, এবং বিভিন্ন ফেসবুক আইডিতে রাজস্ব আত্মসাৎ এর যে সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বানোয়াট। রাজস্ব রশিদ ছাড়া রাজস্ব আদায় করা যায় না।

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের নিলামের শর্ত অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করে থাকে শহর রেঞ্জ, সেই ক্ষেত্রে হাটহাজারী রেঞ্জের খাড়া গাছের নিলামের রাজস্ব সরাসরি আদায় করেনা বা কোন লট ক্রেতার নিকট থেকে কোন নগদ টাকাও গ্রহণ করে না।

কোন লট ক্রেতা আমাকে কোন নগদ অর্থ প্রদান করেছেন এরকম কোন নজির নাই বা কোন লট ক্রেতার কোন বক্তব্য এমনকি কোন মন্তব্য নাই। যেহেতু কোন লট ক্রেতার কাছ থেকে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হয়নি সেক্ষেত্রে রাজস্ব আত্মসাৎ এর কোন প্রশ্নই আসে না। এছাড়া লট ক্রেতাদের নিকট হতে বকেয়া রাজস্ব আদায় করার নিমিত্তে ইতোপুর্বে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং লট ক্রেতারা বকেয়া রাজস্ব জমা প্রদান করবেন বলে লিখিত প্রদান করেছেন। উল্লেখিত সংবাদে কোন লট ক্রেতা, ভুক্তভোগী বা কোন উপকারভোগী সদস্যের বক্তব্য নাই। এমনকি সংবাদদাতা আমার নিকট হতেও আমার কোন বক্তব্য গ্রহণ করেন নাই। একটি স্বার্থন্বেষী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও মান-সম্মান হানির নিমিত্তে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ করিয়েছেন। ভবিষ্যতে তথ্য উপাথ্য ছাড়া এ ধরনের কোন সংবাদ প্রকাশ করে বিভ্রান্ত না ছড়ানোর জন্য সকলকে অনুরোধ করছি। যদি কেহ প্রমান দিতে পারে আমি সরকারের একটি টাকাও রাজস্ব আত্মসাৎ করেছি তাহলে আমি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিব।
আমি উক্ত প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-
(মোঃ সাইফুল ইসলাম)
রেঞ্জ কর্মকর্তা,
শহর রেঞ্জ, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.