উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের নলকূপ কার, জনসাধারণের নাকি মোকতারের?

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের আওতায় ২০১৯ সালে ১৬ নং সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শাহ্ আকামুদ্দিন পাড়ায় অগভীর নলকূপ বসানো হয়।

স্থানীয় জনসাধারণের বিশুদ্ধ পানির অভাব দূর করতে নলকূপ বসানো হয়।

কিন্তু স্থানীয় জনগণের আপত্তি সত্ত্বেও চট্টগ্রাম শহরে বসবাসরত মোকতার আহমদ তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান জামাত নেতা জসিম উদ্দিনের যোগসাজশে ঠিকাদারকে ম্যানেজ করে নিজ জায়গায় সরকারি নলকূপটি বসাতে বাধ্য করেন।পাড়ার লোকজনের চাপের মুখে রাস্তার জায়গায় নলকূপটি বসানো হলেও মোকতার আহমদ সরকারি ওই নলকূপে মোটরপাম্প লাগিয়ে নিজ বসতঘরে সংযোগ নেয়। যার ফলে নলকূপটি প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে।পাড়ার লোকজন চাঁদা তুলে বিশুদ্ধ পানীয়জলের জন্য নলকূপটি মেরামত করে এসেছে।

এ বছর শুষ্ক মৌসুমে নলকূপটি বিকল হয়ে গেলে উক্ত মোকতার আহমদ গত সপ্তাহে নলকূপে সাব মার্সিবল পাম্প স্থাপন করে জনগণের পানির সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়।পাম্পের সুরক্ষার জন্য নলকূপের নিচের অংশে আরসিসি ঢালাই করে দিয়েছেন।নব্য কোটিপতি মোকতার আহমদের হুমকির মুখে তাহার এ বেআইনি কাজে পাড়ার গরীব লোকজন বাধা প্রদান করার সাহস পায়নি।

পাড়ার বাসিন্দারা স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার খোরশেদ আলমকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করলেও তিনি কোনো প্রতিকার করতে পারেন নি।

পাড়ার বাসিন্দা সাতকানিয়া আদালতের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি নলকূপটি আমার পাড়াসহ আশেপাশের কয়েকটি পাড়ার লোকজনের পানীয় জলের অভাব পূরণ করে এসেছে। কারও ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সরকারি নলকূপ দখলে নেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সমাজ কমিটির সর্দার মাস্টার মো. ইসমাইলসহ স্থানীয় লোকজন সরকারি নলকূপ জবর দখল মুক্ত করে পানীয়জলের সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.