আসন্ন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২২ এ লোহাগাড়া আসনে সদস্য প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন এরফানুল করিম চৌধুরী। তিনি ইতিমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছেন। যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। পাচ্ছেন ব্যাপক সাড়া। এরফানুল করিম চৌধুরী স্থানীয় সাংসদ প্রফেসর ডক্টর আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপির একান্ত সচিব।তিনি এই পদে আসীন হওয়ার পর এ অঞ্চলের আর্থ সামাজিক, অবকাঠামোর উন্নয়ন ও রাজনৈতিক দর্শনে মানুষের মধ্যে পরিবর্তন অনতে কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে উন্নয়নে, সমৃদ্ধিতে পরিবর্তনের সেই ধারা ধরে রাখতে তিনি আগামীতে জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হতে চান। জানা যায় ছাত্রজীবন থেকেই এরফানুল করিম চৌধুরী রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন,ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রমে ছিলেন সবার সামনে। তিনি সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনিবার্হী সদস্য। দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সর্বদা তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে তার সুসম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। তার রাজনৈতিক দিক থেকে সবসময় ভাবতেন পদের চেয়ে দল বড়। এ কথা এখনও শুনা যায় দলীয় অনেক নেতা কর্মীর কাছে।তিনি সবসময় বাস্তবকে বিশ্বাস করতেন বর্তমানে ও দেখা যায় তিনি যা বলেন, তাই করেন। এজন্য আমজনতা গরিব-বৃদ্ধ সবাই তাকে ভালোবেসেন। জানা যায় করোনাকালীন জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে গেছেন,গরিব আর অসহায় পরিবারকে খাদ্য সামগ্রীও পৌছে দিয়েছেন। তিনি ছোট-বড় সবার সাথে চলছেন সাধারণ ভাবে।যেখানেই অসহায় মানুষ সেখানেই ছুটে যান, চেয়ারম্যান মেম্বারদের সাথে সরাসরি সম্পর্কের সেতুবন্ধন রয়েছে তার। তিনি সবসময়েই নির্যাতনের শিকার বঞ্চিত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তিনি বলেন এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় এলাকার মানুষের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এদিকে গত ২৭ আগষ্ট লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আয়োজনে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ২৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সাংসদ নদভী নিজের প্রার্থী বলে এরফানুল করিম চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দেন। এরফানুল করিম চৌধুরী আগামী জেলা পরিষদ নির্বাচনে লোহাগাড়া আসনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তিনি সবার দোয়া সহযোগিতা কামনা করেন।