বাঁশখালীতে ছাত্র বলাৎকার, মাদ্রাসা শিক্ষক কারাগারে

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ১১ বছরের এক শিশুকে বলাৎকারের মামলায় দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুইঁয়ার আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

চট্টগ্রাম জেলা পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, আসামি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন। সেখানে নামঞ্জুর হওয়ার পর জজ কোর্টে ফৌজদারি আপিল আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ উভয়ের শুনানি শেষে আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার আদেশ দেন। এ মামলায় শিশুর মেডিকেল রিপোর্টে বালাৎকারের আলামত আছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

২০২২ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে হোস্টেলে খেয়ে ঘুমাতে যায় ওই শিশু। রাত দেড়টার সময় শিক্ষক হেলাল উদ্দিন গিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে ঘুমাতে যান। কিছুক্ষণ পর জোর করে মুখচেপে ১১ বছরের ছেলে শিশুটিকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিক্ষক চলে গেলে শিশুটি তার বাবাকে ফোন করে ঘটনা জানায়। ভিকটিমের বাবা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মিজানুর রহমানকে ঘটনার বিষয় জানায়। তারপর উত্তেজিত জনতা শিক্ষক হেলাল উদ্দিনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.