সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ২৬ মে শুক্রবার বিকেল ৩টায় মাদার্শার মক্কার বাড়িতে এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংসদ প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।
উদ্বোধক ছিলেন দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল ইসলাম।
প্রধান বক্তা ছিলেন দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জহুর।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আ.ন.ম সেলিম উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মতুর্জা কামাল মুন্সী, সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ন.ম ফরহাদুল আলম, সহ-সম্পাদক আরমান হেলালী।
উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হারেজ মোহাম্মদের সঞ্চালনায় নেতৃবৃন্দরা দিকনির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আ.ন.ম সেলিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বর্ধিত সভাটি সমাবেশে রূপ নিয়েছে, নেতাকর্মীরা অধির অপেক্ষায় ছিল আজকের সভায় যোগ দিয়ে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনার জন্য।
দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল ইসলাম বলেন, যুবলীগের নামে চাঁদাবাজি, ক্যাসিনো চলবে না। মানুষকে নিপীড়ন চলবে না। বরং কোথায় অত্যাচার-নিপীড়ন হচ্ছে সেদিকে যুবলীগকে নজর রাখতে হবে। এটাই হবে এখন যুবলীগের মূল চরিত্র।
রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, ‘দলের নেতাকর্মীদের জানতে হবে শেখ হাসিনা এখন দলের ঊর্ধ্বে চলে গেছেন। তিনি এখন জনগণের নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গেলে শেখ হাসিনার চিন্তা, দর্শন উপলদ্ধি করতে হবে। আওয়ামী লীগকে বুঝতে হবে দেশের মালিক জনগণ, এটাই শেখ হাসিনার দর্শন। এজন্য তিনি দল দেখেন না, দেখেন জনস্বার্থ। তাই নেতাকর্মীদের বলি, কারও ওপর খবরদারি করবেন না। সাবধান হয়ে যান।’
সাংসদ নদভী বলেন, দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যুবসমাজকে নিয়ে যুবলীগকে এগিয়ে যেতে হবে। যেকোনো মুহূর্তে ডাক দিলে লাখো যুবলীগ কর্মীকে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এজন্য যুবলীগ নেতাকর্মীদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আগামীতে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে যুবলীগকে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মাঠে থাকতে হবে।