চন্দনাইশ ভূমি অফিসের জারীকারক মোঃ মামুনের বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্যে ও প্রতারণার অভিযোগ

 

চন্দনাইশ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চন্দনাইশ উপজেলা ভূমি অফিসের জারীকারক মোঃ মামুনুর রশিদ দীর্ঘ ৫ বছর ধরে একই কর্মস্থলে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ অর্থগ্রহণ ও নানামুখী দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো ভূমি অফিসকে দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দু ও নানা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ।

 

এনিয়ে সম্প্রতি মামুন ক্ষমতার অপব্যপহার, দূর্নীতি ও ভূমি অফিসকে নিয়ন্ত্রণ রাখা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছে এক ভুক্তভোগী।

 

 

অভিযোগ ও জানা যায়, চন্দনাইশ পৌরসভার হারলা এলাকার আবুল বশরের পুত্র মামুনুর রশিদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা তার আত্মীয় ও সম্পর্ক ভালো থাকায় সুবাধে চন্দনাইশের বিভিন্ন ভূমি অফিসে ঘুরে ফিরে চাকুরী করেছেন।

 

চন্দনাইশ উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে অর্থাৎ বর্তমান জারীকারক ও বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চাকুরী করার সুবাধে তা কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিসের খন্ডকালীন কর্মচারীদের মাধ্যমের ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারসহ একটি সুসংগঠিত ঘুষ ও বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট তৈরি করে মোটা অংকের টাকার ঘুষ লেনদেন করছেন বলে ওই অভিযোগে উঠে আসে।

 

ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের তদন্ত, নোটিশ জারি, প্রতিবেদন প্রদান, রেকর্ড যাচাইসহ বাদী-বিবাদীদের কাজ থেকে টাকার বিনিময় ছাড়া কিছুই করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

তাই সম্প্রতি এক ভূক্তভোগী জিয়াউর রহমানের দায়ের করা উপজেলার জারীকারক মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি,ঘুষ বার্ণিজ্যসহ নানা অভিযোগ উঠে আসেন। এ নিয়ে জারীকারক মামুনুর রশিদ বলেন, সে একটি দলের নেতা।

 

 

তাছাড়া চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সচিবালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতা পর্যন্ত তার হাত রয়েছে সুতরাং নিউজ করলেও কিছুই হবে না।

 

এ ব্যাপারে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব হোসেন জারীকারক মোঃ মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা বলেছেন।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমাকে একাধিকবার ফোন করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.