করের হাট স্টেশন কর্মকর্তা আলালের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদটিতে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি-

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি-

চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন করের হাট রেঞ্জের করের হাট স্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার আলাল উদদীনের বিরুদ্ধে গত ৭ই জুলাই একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘করেরহাট বিট কাম চেকস্টেশনে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও গাছ পাচারের মহোৎসব: অদৃশ্য কারণে ডিএফও এসিএফ’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

 

প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে করেরহাট বিট কাম চেকস্টেশন কর্মকর্তা আলাল উদদীন সাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গণমাধ্যম ‘চট্টগ্রাম সংবাদ‘ পত্রিকার নিকট হস্তগত হয়।

 

আজ ৯জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিকালে চট্টগ্রামস্থ ‘চট্টগ্রাম সংবাদ’ পত্রিকা অফিসে গত ৭.জুলাই প্রকাশিত একটি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে স্টেশন কর্মকর্তা মো: আলাল উদদীন সাক্ষরিত পত্রটি প্রেরণ করেন

উক্ত প্রতিবাদপত্রে করের হাট স্টেশন কর্মকর্তা মো: আলাল উদদীন বলেন-একটি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে গত ২দিন আগে আমার বিরুদ্ধে আমার অনুমতি ব্যতিরেকে ছবিসংযুক্ত করে সম্পূর্ন মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে একটি চক্রের সাথে বশীভূত হয়ে সংবাদ পরিবেশন করে আমার বন ডিপার্টমেন্টে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার হীন অপচেষ্টা চালান।

 

উক্ত প্রতিবাদে তিনি আরো বলেন,ওই প্রতিবেদনে শুধু আমাকে নয় স্বয়ং আমার এসিএফ ও আমার চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের ডিএফও স্যারকেও জড়িয়ে মনগড়া মানহীন সংবাদ পরিবেশন করেছেন।

 

প্রকৃত পক্ষে ওই পত্রিকায় আমার কোন বক্তব্য নেয়া তো দূরের কথা ওখানে উল্লেখিত যে তাদের ভাষায় মনগড়া দূর্নীতির কথা বলা হয়েছে সেগুলোর সাথেও আমি পুরোপুরি অপরিচিত।

প্রেরিত প্রতিবাদলিপিতে স্টেশন কর্মকর্তা মো: আলাল উদদীন বলেন, পত্রিকাটিতে বলা হয় আমার স্টেশনটিতে নাকি স্টেশন কর্মকর্তা হতে হলে ৮ হতে ১০ লক্ষ টাকা ডিএফও ও বিভাগীয় দপ্তরে থাকা কেরানীকে উৎকোচ দিতে হয়। মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে এই লোভনীয় চেয়ার বাগিয়ে নিতে আমি আরো অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে স্টেশন সহযোগীর পদটিও বাগিয়ে নিয়ে নিছি।অথচ সংবাদটি পড়লেই মূলত বুঝা যায় উক্ত পত্রিকার প্রতিবেদক আমাকে তো দূরের কথা সরাসরি উত্তর চট্টগ্রাম বনবিভাগ সম্পর্কেও অসচেতন।

 

আমি হলফ করে সেই সাথে লিখিত দিয়ে আরো জানাচ্ছি যে- আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমার থেকে ২ পয়সাও কখনো বা কোনদিন মাসোহারা নেয়নি বা চায়নি। শুধু তাই নয়-আমি নিজেও পত্রিকাটিতে উল্লেখিত মনগড়া কোন মাসোহারার সাথে জড়িত নয়।অতএব আমি প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে কাউকে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

দৃঢ় ভাবে জানাচ্ছি যে- আমি আমার বনবিভাগের ডিএফও স্যার ও এসিএফ স্যারদের নির্দেশনায় বন বিভাগের স্বার্থ রক্ষার্থে যে কোন ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত আছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.