ধোপাছড়িতে মায়ের পরকীয়ার দৃশ্য দেখে ফেলায় সন্তানের জীবন ঝুঁকিঃনিরাপত্তা চেয়ে মানববন্ধন 

 

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ 

নিজ ঘরে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় মায়ের রোষানলে পড়তে হয়েছে সন্তানকে,জীবন বাঁচাতে প্রথমে পালিয়ে যায় ও পরে প্রবাসী পিতার সহযোগিতায় গ্রাম সর্দারের বাড়িতে আশ্রয় নেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে  উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব ধোপাছড়ি মংলার মুখ এলাকায় আবদুর ছত্তারের সন্তান ও স্বজনদের উদ্যোগে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মানব বন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। মানব বন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল কবির,গ্রাম সর্দার আবুল কাশেম,ঘটনার মীমাংসাকারী ফরিদুল ইসলাম,মনোয়ারা বেগম,জিন্নাত আরা প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,সৌদি আরব প্রবাসী আবদুল সাত্তারের সাথে শাহরিয়া মিম কলির (৩২) বিয়ে হয়,তাদের ঘর আলোকিত করে তিন সন্তান আবদুল্লাহ আল মামুন(১০) সাব্বির হোসেন আবিদ (৮) ও আয়েশা (৩) জম্মগ্রহণ করেন। জীবিকার তাগিদে বছরের বেশির ভাগ সময় আরবে থাকতে হত,সেখানের উপার্জিত অর্থ স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন এসব অর্থ ইচ্ছেমাফিক ব্যয় করতেন। স্বামী দেশে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী আসিফের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন, আসিফ বিদেশে পাড়ি জমালে  তার ভাই হানিফের সাথেও জড়িয়ে পড়েন। গত কয়েক বছরে কলির আত্মীয়দের নিয়ে একাধিকবার বৈঠক ও সমঝোতা হয়। গত জুলাই মাসে ছেলে দেখার পর পরকীয়ার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের সম্মতিতে আইনানুগ ভাবে তালাক সম্পন্ন।কলি গত ২৭ জুলাই আদালতে সন্তান জিম্মায় নেয়ার আবেদন করলে সন্তান ও স্বজনদের মাঝে আতংকের সৃষ্টি হয়। সন্তানের কারণে সংসার ভাঙায় সন্তানরা মায়ের কাছে জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। মানববন্ধনে বড় ছেলে মামুন বলেন, আমার মা আমাকে দশ টাকা আর কার্টুন দেখতে মোবাইল দিয়ে ছোট বোনকে রাখতে বলেন কিছুক্ষণ পর বোন বেশি কান্না করলে মায়ের কাছে গিয়ে দেখি বিছানায় হানিফের সাথে। তারা ঘটনা বাবাকে বললে আমার মা আমাকে ছুরি নিয়ে তাড়া করে, মামা জোনাইদ মারধর করে তারপর বাবার পরামর্শে গ্রামের সর্দারের বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করি। এসময় মেজ ছেলে আবিদ ও মাকে ভয় পাচ্ছে বলেন। কলির আপন মামা ও তালাক  সহ পূর্বের ঘটনা মীমাংসাকারী  মামা মাহবুব আলম জানান, কলির পরকিয়ার কারণে একাধিক বার ঝামেলা ও মীমাংসা হয়েছে ছেলে দেখার পর তাদের সংসার ভাঙে। ভুক্তভোগী আবদুর সত্তার জানান,আমার টাকা, সম্মান সংসার সব গেছে এখন অন্তত সন্তানরা নিরাপদ থাকুক। বর্তমানে কলির মোবাইল না থাকায় তার মা খালেদার মোবাইলে কল করলে তিনি মেয়েকে মোবাইল দিতে সম্মত হননি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.