চাকরির প্রলোভনে যৌনবৃত্তি, বাবার ফোনে উদ্ধার ভুক্তভোগী নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের চাকরির প্রলোভনে ফেলে বাসায় যৌনবৃত্তির কাজ করাতেন তানজিনা আক্তার প্রকাশ ‘তানজিনা খালা’। রাজি না হলে চলত বেধড়ক মারধর ।
‘৯৯৯’— এ ভুক্তভোগীর বাবার ফোন পেয়ে ১৪ ও ১৯ বছর বয়সী ২ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মূলহোতা তানজিনা আক্তারসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার ( ৩০ মে) ডবলমুরিং মডেল থানার আগ্রাবাদ সিডিএ ২৭ নম্বর রোডের মুখের একটি ভবন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, তানজিনা আক্তারের ৭ থেকে ৮ জনের একটি চক্রও আছে। সেই চক্রে সেকান্দর মিয়া, তার দুই স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও সাথী বেগম এবং শারমিন বেগম নামে এক মহিলা আছে। মূলত সেকান্দারই ঘুরে ঘুরে এসব মেয়ে সংগ্রহ করে। এরপর চাকরির নাম দিয়ে তানজিনার বাসায় এনে বিক্রি করে দেয়। গত ৩ মে এই একই কায়দায় এই দুইজনকে নিয়ে এসে বিক্রি করে দেয়। এরপর তাদেরকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করে। তারা রাজি না হলে কিংবা অপারগতা প্রকাশ করলে তাদেরকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। এদের মধ্যে কৌশলে একজন তার বাবাকে ফোন দিলে ভুক্তভোগীর বাবা ৯৯৯—এ ফোন করে । ফোন পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ মূলহোতা তানজিনা আক্তারসহ আরও দুই খদ্দেরকে গ্রেপ্তার করে ।