সাতকানিয়ায় দীর্ঘ ২৪ বছরের একজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের অবদান চাইলেও যাবেনা ভুলা

সৈয়দ আককাস উদদীন (সাতকানিয়া)

 

শিক্ষাই জাতীকে একটি ঘোর অমাবস্যা থেকে  দেখায় আলোর পথ আর সেই আলোর পথকে সুগম করে দিতে সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়ার গারাঙ্গিয়া রব্বানিয়া মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল আলম ফারুকী দিনরাত করে যাচ্ছেন পরিশ্রম।

 

এক পর্যায়ে তার দীর্ঘ চাকুরী জীবনে মাদ্রাসার ভবিষ্যতের জন্য কি কি করেছেন তা জানতে চাইলে তিনি বলেন,মহান রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানী ও

রহমতের ফলে অত্র মাদ্রাসায় আমার প্রায় ২৪ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিকতার ফসল হিসেবে  আমি নগন্য খাদেমের মাধ্যমে অগ্রগতি ও সাফল্য সমূহ গুলো হলো,

দাখিল স্তরের এমপিওভুক্তি-১৯৯৯ খ্রিঃ,

আলিম প্রাথমিক পাঠদানের অনুমতি- ২০০২ খ্রিঃ,

আলিম একাডেমিক স্বীকৃতি- ২০০৪ খ্রিঃ,

আলিম স্তরের এমপিওভুক্তি- ২০১০খ্রিঃ,

ফাজিল প্রাথমিক পাঠদানের অনুমতি- ২০১৬ খ্রিঃ

এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব বাস্তবায়ন। এদিকে দাখিল পরীক্ষার মুল কেন্দ্র স্থাপনসহ

দূরদূরান্ত থেকে  ছাত্রীদের জন্য আবাসিক শাখা খোলা হয়।

শুধু তাই নয়, এতিমখানার বালিকাদের জন্যেও শাখা খোলা হয়।

প্রতিবছর উপজেলার সর্বোচ্চ এ+ সহ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ কর্তৃক পর পর তিনবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত ও

অধীন নগন্য খাদেম পর পর দুইবার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়া ও  একাডেমিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইত্যাদি আল্লাহ তা’লা আমার হাত দিয়ে কবুল করেছেন আলহামদুলিল্লাহ।

 

 

তিনি আরো বলেন মহান রাব্বুল আলামীনের অসীম দয়া ও করূণার ফলে প্রথমে দীর্ঘ ১২বছর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালনকালে সরকারী বিধি মোতাবেক মুল বেতনের ২০% প্রাতিষ্ঠানিক ভাতা নেয়ার বিধান থাকলেও আমি কোন ধরনের ভাতা গ্রহণ করিনি এবং  অধ্যক্ষের নিম্ন স্কেলে তথা ০৬ নং গ্রেডে বেতন –ভাতা ভোগ করলেও অদ্যাবদি কোন প্রাতিষ্ঠানিক ভাতা গ্রহণ করিনি।

 

এমনকি মাদ্রাসার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা কালেকশন করে আনলেও কোন ধরনের কমিশন পর্যন্ত গ্রহণ করিনি।

 

 

আর আমার খরচের ভাউচার সমুহ সদ্য প্রয়াত সভাপতি শাহজাদা আলহাজ্ব এ.টি.এম. মমতাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়াই যাচাই বাছাই না করে কখনো বিল দেন নি।

 

 

তবে আমি আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এভাবে সঠিক পথে হালাল রুজগার করে যাবো বলে মনে করি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.