মহেশখালীতে সরকারী প্রকল্পে হামলা,পৌর মেয়রের মৎস্য খামারে লুটপাট,অগ্নিসংযোগ গুলিবিদ্ধ সহ আহত ৫

মহেশখালী প্রতিনিধি: মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া এলাকায় ১৯ ডিসেম্বর মধ্যে রাতে নির্মাণাধীন সরকারী আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিব কিল্লায় গুলিবর্ষণ ও তার পশ্চিম পাশে মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার মৎস্য খামারে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছে ৫ জন। সরকারী আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিব কিল্লায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আশরাফুল (৩৩) জানান- প্রতিদিনের মতো দিনে তাদের কাজকর্ম শেষে রাতে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে ছিলাম,তৎমধ্যে রাত অনুমান ১.৪৫ ঘটিকার সময় ১০/১৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহকারে নির্মাণাধীন আশ্রয়ন প্রকল্পে ডুকে মামুন ও মঈন উদ্দিন কোথায় বললে, জবাবে মামুন আর মঈন উদ্দিন নাই বল্লে-দুর্বৃত্তরা ক্ষেপে উঠে, এবং তাদের হাতে থাকা বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে,দা কিরিচ ও হাতুড়ি দিয়ে আমাদের কে শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে কুপিয়ে জখম করেন। আমাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও আটজন শ্রমিকের ২০ দিনের জমানো বেতনের টাকা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার মৎস্য খামারে কর্মরত শ্রমিক বড় মহেশখালী ইউনিয়নের জাগিরাঘোনা এলাকার আলম বাশি (৪০) জানান- মেয়র মকছুদ মিয়ার মালিকানাধীন পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ডের হামিদিয়ার দিয়া চরে অবস্থিত মৎস্য খামারে প্রতিদের মতো কাজকর্ম শেষে রাতে ঘুমিয়ে পড়ি,তৎমধ্যে রাত অনুমান ১.৩০ ঘটিকার সময় বাহিরে গুলা গুলির শব্দ শুনতে পাই,কিছু বুঝে উঠার আগেই বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন ও তার দলবল সহ ১০/১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল অতর্কিত আমাদের উপরেও গুলিবর্ষণ করে হামলা চালিয়ে আমাদের আহত করে,এসময় মৎস্য খামারে থাকা সাতটি গরু নিয়ে চলে যাওয়ার সময় খড়খুটোর স্তুপ (কুইজ্যা) তে আগুন ধরিয়ে দেয়। আহতদেরকে স্থানীরা উদ্ধার করে রাতেই মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ সহ দুইজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতরা হলেন- মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া এলাকায় সরকারী আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিব কিল্লাতে কর্মরত শ্রমিক- জামালপুরের মাদারগঞ্জের নজরুল ইসলামের পুত্র আশরাফুল (৩৩),বগুড়ার ধুনটের কাদুলি এলাকার জামিরুল ইসলামের পুত্র সামিদুল(১৮), সিরাজগঞ্জের তেলকুপি সদরের হবি রহমানের পুত্র নাছির উদ্দিন। পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার মৎস্য খামারে কর্মরত শ্রমিক বড় মহেশখালীর জাগিরাঘোনা এলাকার কামাল পাশার পুত্র আলম বাশি (৪০), একই এলাকার আবুল হোসেনের পুত্র নেচার। ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে পুলিশের ১টি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানা যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো উক্ত ঘটনায় দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম সংবাদ/ আই এইচ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.