বাঁশখালীতে ঝিনুক পোল্ট্রি ও আসহাব এগ্রো ফিস লিমিটেড পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রনালয়ের যুগ্ম -সচিব জালাল আহমেদ মুহাম্মদ

বাঁশখালী  প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপুর পাহাড়ি অঞ্চলে এক নিভৃতেই সফলতার গল্পের নাম ঝিনুক পোল্ট্রি ফার্ম এন্ড হ্যাচারী ও আসহাব এগ্রো ফিস লিমিটেড। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে দেশীয় বাজারে মুরগী, ডিম,বিভিন্ন প্রজাতির মাছ(মৎস্য প্রজেক্ট) , ড্রাগন, মালটা,পেঁপে, মসলা,আদা,মরিচ,হলুদ, ধনিয়া ও মৌসুমি শাক-সবজিসহ ইত্যাদি খাবার যোগান দিয়ে আসছে । এই এগ্রো গ্রুপের সফল উদ্দ্যোগতা পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসহাব উদ্দিনে মিশ্র কৃষি খামারের সফলতার গল্প শুনে গত শুক্রবার পরিদর্শনে আসেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি-মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব মোঃ জালাল আহমেদ (পরিকল্পনা কমিশন) , পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর- চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোঃ আক্তারুজ্জামান, SACP পকল্প পরিচালক ড.এমদাদুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) -ঢাকার উপ-পরিচালক রেহানা সুলতানা, উপ-পরিচালক (খামারবাড়ি) ঢাকা মোঃ নাসির উদ্দীন চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক , আলহাজ্ব মোঃ আসহাব উদ্দিন,ঝিনুক পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী ও আসহাব এগ্রো ফিস লিমিটেডর পরিচালক ও দি.জে.এ কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়নাল আবেদীন, ৫নং পুকুরিয়া ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, প্রজেক্ট ম্যানেজার শ্যামল কান্তি দে, মোঃ আক্তারুজ্জামান সহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ। ঝিনুক পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী ও আসহাব এগ্রো ফিস লিমিটেডর পরিচালক ও দি.জে.এ কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার বাবা আলহাজ্ব মোঃ আসহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান দীর্ঘ ৩২ বছর এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে হাজারো ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন মসজিদ -মাদ্রাসা, স্কুল সহ সামাজিক কর্মকাণ্ডের ব্যস্ততায় গড়া সুদীর্ঘ ২৭ বছরের এই এগ্রো গ্রুপ টি স্থানীয় বাজারে ও চট্টগ্রামের বড় বড় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ ও মৎস্য সরবরাহের মাধ্যমে পুষ্টির যোগান দিয়ে বেকারত্ব নিরসনে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অসামান্য অবদান রেখে যাচ্ছে তারই উৎসাহ – উদ্দীপনা বৃদ্ধি করতে আমাদের প্রজেক্টে আজ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুগ্ম-সচিব মোঃ জালাল আহমেদ পরিদর্শনে আসেন তার জন্য আমি ওনাকে ধন্যবাদ ও আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। এভাবে সারাদেশে নতুন নতুন উদ্দ্যোগতা সৃষ্টি করে তাদের প্রজেক্টে এভাবে পরিদর্শন করলে কৃষি খাত আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। সেইসাথে আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি স্বল্প – সুদে ঋন দিয়ে কৃষক লাভবান হওয়ার জন্য পথসুগম করলে আরও নতুন নতুন উদ্দ্যোগতা সৃষ্টি হবে। সাথে সাথে দেশ কৃষিতে স্বনির্ভর হবে এবং সরকারের ভিশন বেকারত্ব নিরসনের বাস্তব প্রতিফলন ঘটবে। উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক বলেন,পুকুরিয়া আসহাব এগ্রো ফার্মেটি সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত। আমাদের মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তা পরিদর্শন শেষে খুবই খুশি, আমি এই প্রজেক্টের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। পরিদর্শন শেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি-মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব মোঃ জালাল আহমেদ বলেন, আসহাব উদ্দিন এর মিশ্র কৃষি প্রজেক্ট ঘুরে আমি খুশিতে আবেগ আপ্লূত, সরকার চাচ্ছে এই ধরনের বড় বড় কৃষি উদ্যোগতা আরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে নিজেও বাণিজ্যিক ভাবে লাভবান হোক, বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হোক, দেশীয় বাজারের চাহিদা মেটানো হোক ও দেশ এগিয়ে যাক। আমি ও আমার অধিদপ্তর সবসময় আপনাদের সাহায্য -সহযোগিতায় ও পরামর্শে পাশে থাকব।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.