চবি নিয়োগ বোর্ডে জামায়াত-বিএনপি’র শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ অন্তর্ভূক্ত ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকের নিয়োগ বোর্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুর রশিদ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

ঢাবি অধ্যাপক ড. আব্দুর রশিদ সুবিধাভোগের জন্য উপরে নিজেকে আওয়ামীপন্থী শিক্ষক দাবি করলেও তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত জামায়াতের ত্রৈমাসিক গবেষণামূলক পত্রিকা ‘ইসলামি আইন ও বিচার’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের অন্যতম সদস্য।

এই পত্রিকার সম্পাদক হলেন চবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের কট্টর জামায়াতপন্থী শিক্ষক ড. আহমদ আলী।

তাছাড়া ড . আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ঢাবিতে নিজ বিভাগে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের পৃষ্টপোষকতা করার অভিযোগও রয়েছে।

বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধে দন্ডিত জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার মেয়ের জামাতা ঢাবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড . জহিরুল ইসলাম তার ছায়ায় রয়েছেন।

ড. আব্দুর রশিদ শুধু চবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকের নিয়োগ বোর্ডেই নয়, বরং সিন্ডিকেটের প্রতিনিধি হিসেবে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ডেও বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।

নিয়োগ বোর্ডের অপর সদস্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ও রাবিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষক ফোরামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

বিগত কয়েক বছর থেকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য তিনি বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধাপন্থী কিছু আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সাথে লিয়াজোঁ রক্ষা করে চলছেন। তার পিতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. শফিকুল্লাহও রাবিতে বিএনপি জামায়াতপন্থী শিক্ষক ফোরামের অন্যতম নেতা ছিলেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.