টেকনাফের আলোচিত মাদক পাচারকারী শাকের মাঝি আটক

টেকনাফে এএসআই আহত

টেকনাফ প্রতিনিধি
টেকনাফের আলোচিত মাদক ও মানবপাচারকারী লিডার শাকের মাঝি (৪০)কে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার বাহিনীর হামলায় আহত হয় অভিযান পরিচালনা কারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ টিমের সদস্য এএসআই শাখাওয়াত হোসেন। ১২ ডিসেম্বর সোমবার ভোররাত সোয়া ১ টার সময় উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড মুন্ডার ডেইল গ্রামের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শাকের মাঝি স্হানীয় কবির আহমেদের ছেলে। বিগত ৩ মাস আগে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাকের মাঝি নামের এক ব্যক্তি একই ইউনিয়নের বাহারছাড়া এলাকার আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে মিয়ানমার মাদক কারবারীদের হাতে বন্ধক রেখে ১ লাখ ইয়াবা অনেন। যথা সময়ে অর্থ পরিশোধ না করায় তাকে বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে এবং সে শাকের মাঝি টাকা পাঠাবে বলে ভূক্তভোগী তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন। মিয়ানমার থেকে তার পরিবারের কাছে পাঠানো একটি ভিডিওতে এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শাকের আটক হওয়ার পর খবর শুনে অনেকের মাঝে খুশি বিরাজ করছেন। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: আবদুল হালিম জানান, ” সোমবার ভোররাতে ( ১২ ডিসেম্বর) টেকনাফ মডেল থানার ওয়ারেন্ট তামিলকারী টিম পুলিশ পরিদর্শক ( অপারেশন) আব্দুর রাজ্জাক, এসআই নুরে আলম, এসআই হোসাইন, এএসআই সাখাওয়াত সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে (বিমানবন্দর থানার মামলা নং-২৫(৭)২০১৫, ধারা- ২০১২) ২০১২ সালের মানব পাচার আইনের ৭/৮ এর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং আত্মস্বীকৃত আত্মসমর্পনকারী মাদককারবারী মো: শাকের মিয়া প্রকাশ শাকের মাঝিকে গ্রেফতার করে। এ সময় উক্ত আসামি শাকের মাঝি সন্ত্রাসী কায়দায় এএসআই মোঃ সাখাওয়াত কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে এএসআই সাখাওয়াত এর ঠোট কেটে যায়। এ সময় আসামির ভাই মনু মিয়া(৪০) ও রফিকুল ইসলাম (২৯) পাশের রুম হতে বের হয়ে পুলিশের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পুলিশকে আঘাত করে এবং পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করতে চেষ্টা করে। তারপরও অভিযানকারী টিম আসামি শাকের মাঝিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তিনি আরো জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও তার দুই সহোদরসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আহত এএসআই মো: শাখাওয়াতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার ঠোটে ৩ টি সেলাই দেয়া হয় বলেও জানান ওসি।
মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.