হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে প্রথম আলো সম্পাদকের আবেদন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

রোববার (২ এপ্রিল) সকালে আগাম জামিনের এ আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার।

এর আগে, ২৯ মার্চ রাতে মামলাটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মশিউর। মামলায় প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান, সহযোগী ক্যামেরাম্যানসহ অজ্ঞাতনামাদেরও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান কারাগারে রয়েছেন।

গত ২৬ মার্চ প্রথম আলোর একটি ফটোকার্ডে একজন দিনমজুরের বক্তব্য উদ্বৃত করা হয়। কিন্তু সে উদ্ধৃতির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় একটি শিশুর ছবি। তবে দিনমজুরের উদ্ধৃতির সঙ্গে শিশুর ছবি প্রকাশের অসংগতির বিষয়টি তুলে ধরে ১৭ মিনিটের মধ্যেই ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রত্যাহার করে সংশোধনী দেয় প্রথম আলো।

এরপর গত বুধবার (২৯ মার্চ) ভোর রাতে সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামানকে সাভারের বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেন যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মো. গোলাম কিবরিয়া।

আর বুধবার মধ্যরাতেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল মালেকের করা রমনা থানার আরেকটি মামলা করেন।

ওই মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক ছাড়াও পত্রিকাটির সাভারে নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামস, সহযোগী একজন ক্যামেরা পারসন এবং প্রতিবেদনটি প্রচার-প্রকাশের সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) শামসুজ্জামানকে আদালতে হাজিরের পর রমনা থানার মামলায় তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন। সেই থেকে শামসুজ্জামান কারাগারে রয়েছেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.