ভারতের ঝাড়খণ্ডের দ্বিতীয় ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) ও আদানি পাওয়ার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (২৬ জুন) মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য দেয়া এক বিবৃতিতে আদানি পাওয়ার বলেছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে।
ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন পূর্ণ ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী সেখান থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।
পিডিবির পরিচালক (মিডিয়া) শামিম হাসান বলেন, রবিবার আদানির ১টি ইউনিট থেকে ৭৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। সোমবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা ৫৩ মিনিটে অপর ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় মোট ৮৬৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যোগ হয়েছে। রাত ৮টা, ৯টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়তে পারে আবার চাহিদা না থাকলে কমতেও পারে।
তিনি জানান, এর ফলে দেশের লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাবে দেশের মানুষ। ঈদের ছুটিতে সারাদেশে লোডশেডিং হবার সম্ভবনা নেই।
এর আগে, গত ৭ এপ্রিল আদানির ৭৪৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এই কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুসারে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করে ভারতীয় কোম্পানি আদানি। আগামী ২৫ বছর ধরে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট করে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
গোড্ডা থেকে ভারতীয় অংশে প্রায় ১০৬ কিলোমিটারের ডেডিকেটেড ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে আদানির বিদ্যুৎ দেশে আসছে।