সাতকানিয়ায় কেওচিয়ার হাজী আমির হোসেন হেফজখানা ও এতিমখানায় ফখরুল ইসলাম আলভী (১১) নামের এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠছে। আলভী সাতকানিয়ার কেওচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বরে ওয়ার্ডের বড় হুজুরের বাড়ীর আবদুল গফুরের ছেলে।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) উপজেলার কেওচিয়ার হাজী আমির হোসেন হেফজখানা ও এতিমখানার ছাদের উপর এ ঘটনা ঘটে।
ওই হেফজখানার কথিত শিক্ষক হাফেজ মো. মিসকাতকে (২৪) এই বলাৎকারে অভিযুক্ত করে সাতকানিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভুগীর বাবা আবদুল গফুর।
লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, হাফেজ মো. মিসকাত একজন দুশ্চরিত্র। তিনি আমাদের প্রতিবেশি ও পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোক। আমাদের এলাকার হাজী আমির হোসেন হেফজখানা ও এতিমখানায় শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে শিক্ষকতাসহ আমাদের এলাকার মাজন আল জামে মসজিদে ইমামের অনুপস্থিতিতে ইমামতি করেন।
তিনি আরো জানান, আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম আলভী (১১) বর্তমানে হাজী আমির হোসেন হেফজখানা ও এতিমখানায় পড়াশোনা করে। গত ২ জানুয়ারি রাত ১০ টার দিকে সময় আমার ছেলে ফখরুল ইসলাম আলভী বাড়িতে এসে কান্না করে। তখন আমার ছেলে জানায় ওইদিন রাত ৯ টার দিকে পড়াশোনার এক ফাঁকে ভাত খাওয়ার ছুটি দিলে ভাত খেতে যাওয়ার সময় মিসকাত আমার ছেলেকে ডাকে। এবং কথা আছে বলে এতিমখানার ছাদে নিয়া যায়। এবং তাকে বলাৎকার করে।
এ কথা কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয় এবং কাউকে জানালে খুন করে ফেলবে বলেও জানান তিনি।