চরখাগরিয়া খাদিম আলী স্কুলের কলংকের দাগ কী মুছে গেল?

সাতকানিয়া

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের একটি ঐতহ্যবাহি ও স্বনামধন্য বিদ্যাপীটের নাম চরখাগরিয়া খাদিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়।

এই বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে ভালো অবস্থানে -যা নিশ্চিত স্কুলকে একটি সুনামের উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

তবে এই স্কুলকে সুনামের বদৌলতে একটি কলংকজনক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছিলেন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের স্বয়ং সাবেক সভাপতি, কলংকজনক অধ্যায় থেকে স্কুলটি বেরিয়ে যাওয়ার জন্য অভিযুক্ত সেই সভাপতিকে অপমানজনক ভাবে অনাস্থা দিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ অপসারণ করেছিলেন।

বলা হচ্ছিল খাগরিয়া উপজেলার চরখাগরিয়া কাদিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৩ সালের সাবেক সভাপতি মঈনুল ইসলাম বাবুলের সেই সময়কার আমলনামাগুলি।

 

৩০শে জানুয়ারি( মঙ্গলবার) খাগরিয়া ইউনিয়নে গেলে প্রতিবেদকের হাতে আসে ঘটে যাওয়া এক দশক আগের ন্যাক্কারজনক ব্যাপারটি।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র ধরে -সেই     সময়কার আমলনামাগুলি উল্টিয়ে দেখা যায় চাঞ্চল্যকর গা শিউরে ওঠার মত  কিছু অবাক করার বিষয়! – একজন স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হয়ে স্কুলের পুরাতন টিন বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করার মত বহু ঘটনা,ঘটনার পরতে পরতে দেখা মেলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য ডায়েরী করবে বলে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করারও অভিযোগ, শুধু তাই নয় তখনকার সভাপতি মঈনুল ইসলাম বাবুল শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ক্লাস হিসেবে আদায়কৃত ৩০হাজার টাকাও তখনকার অফিস সহকারীর মাধ্যমে জোরপূর্বক আদায় করে নেয়ার অভিযোগ আছে ওই আমলনামায়।

 

পরে আমলনামার ওজন ভারী হলে পরিচালনা পর্ষদের অপরাপর ব্যক্তিদ্বয় ও স্কুল শিক্ষকরা মিলে গত ১১-৩-২০১৩সালে তাকে অপসারণ করার দাবীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে চিঠি লিখলে কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করে তদন্তপূর্বক গত ১১-৬-২০১৩সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম ১১৫৪(৬)স্বারকে মঈনুল ইসলাম বাবুলকে অপসারণ করার নির্দেশ দেন।
এবং ওই অপসারণ করার নির্দেশনা চিঠিতে এটাও উল্লেখ থাকে যে তার বিরুদ্ধে আনীত দূর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব চাওয়ার নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি জবাব প্রদান না করায় তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় অপসারণ করার আদেশ দেওয়া গেল।

 

এদিকে খাগরিয়ার বেশ কিছু জনগণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা প্রতিবেদককে বলেন-এই মঈনুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় বেশ কয়েকটি মামলা আছে তৎমধ্যে ব্যাংকের লোন নেয়া -দেয়া নিয়ে একটি মামলা মনে হয় ওয়ারেন্ট আছে।
এদিকে সাতকানিয়া থানার এএসআই সাদ্দাম বলেন তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা থানায় থাকলেও ওয়ারেন্ট ছিল আমার কাছে মাত্র একটি তবে সেটা তিনি সম্প্রতি জামিনে আসছেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.