ডেপুটি রেঞ্জার মিনার ম্যাজিকে তটস্থ হোয়াইক্যং এলাকার পাহাড় খেকোরা

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ -

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন হোয়াইক্যং রেঞ্জ এলাকায় পাহাড় খেকো সিন্ডিকেটদের দৌরাত্ম নেই বললেই চলে।

 

প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে কক্সবাজার দক্ষিণের হোয়াইক্যং রেঞ্জের আওতায় রিজার্ভের কোন পাহাড় কাটার চিহ্ন দেখেনি।

শনিবার (৭ই ফেব্রুয়ারি)কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন হোয়াইক্যং রেঞ্জে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে প্রতিবেদক এমন চিত্র দেখেন।

অপরদিকে পাহাড় খেকো সিন্ডিকেট এবং স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল রেঞ্জার জহির উদদীন মো :মিনার চৌধুরীর কঠোরতার কারণে -পাহাড় কেটে সুবিধা করতে না পেরে, জনমনে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম,বিভিন্ন প্রিন্ট মাধ্যম ও অনলাইন মিডিয়ায় প্রোপাগাণ্ডা সৃষ্টি করাচ্ছে বলে জানান হোয়াইক্যং’র স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি।

 

এদিকে স্থানীয়দের বরাতে এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  বনের একজন প্রহরীর মারফতে জানা যায়, সুফল প্রকল্পের একটি বাগানের জন্য ইতিমধ্যে মিনার চৌধুরী নেতৃত্বাধীন কক্সবাজার  দক্ষিণের হোয়াইক্যং রেঞ্জ বনবিভাগ থেকে পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন ।

 

এবং কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত অর্থ বছরেই ২৩টি বনমামলা দায়ের করেছেন হোয়াইক্যং এর ডেপুটি রেঞ্জার জহির উদদীন মোহাম্মদ মিনার চৌধুরী।

 

এই মামলার বিপরীতে ইতিমধ্যে অন্তত ১৫জন বনখেকো জেলে খেটেছেন বলেও তথ্য পাওয়া যায়।

হোয়াইক্যং এর বাসিন্দা আব্দুল  মজিদ(৬৫) চট্টগ্রাম সংবাদকে বলেন,শুধু ২৩টি মামলায় করেননি মিনার চৌধুরী জব্দ করেছেন পাহাড় কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম যা মামলায় জব্দ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

 

তিনি প্রতিবেদককে আরো বলেন, আপনি পুরো রেঞ্জ ঘুরে ঘুরে দেখেন অন্তত ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে এখানে কোন পাহাড় কাটা গেছে বলে আমার জানা নেই।

 

তিনি আরো যোগ করে প্রতিবেদককে বলেন,এখানে পাহাড় কাটা যাবে কোথা থেকে?তারা কাটার  প্রস্তুতি নিলেই ডিবি পুলিশের মতো  হোয়াইক্যং’র রেঞ্জার মিনার টীম নিয়ে হাজির

 

হাজিরের পর চলে মালামাল জব্দ এবং অনেকসময় মালামালসহ হাতেনাতে ধরার রেকর্ডও মিনার সাহেবের আছে।

এদিকে রেঞ্জার মিনার চৌধুরী বলেন,একটি মহল আমার কারণে পাহাড় কেটে সুবিধা করতে না পেরে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে প্রোপাগাণ্ডা চালানোর মিশনে নেমেছেন।

 

আমি অনুরোধ করব চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত ‘চট্টগ্রাম সংবাদ’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণসহ ইতিপূর্বে আমার বিরুদ্ধে যা প্রকাশিত হয়েছে।

সেই প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ যেন প্রভাবিত না হয়।
এবং সাংবাদিকরা যেন সরেজমিনে এসে প্রকৃত সংবাদটিই পরিবেশন করেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.