কয়লাবিদ্যুৎ থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল উদ্ধার, ধরাছোঁয়ার বাইরে চোর চক্র
মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষে গন্ডামারা এলাকায় স্থাপিত এস আলম গ্রুপ ও চীনের সেপকো থ্রির যৌথ মালিকানাধীন
বেসরকারি খাতে দেশের সবচেয়ে বড় বাঁশখালী তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে
প্রতিনিয়ত একটি সিন্ডিকেট বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। এই চোর সিন্ডিকেট চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি করে বাইরে বিক্রি করে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের দেওয়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকজন সংবাদ কর্মী চাম্বল এলাকার ২ নং ওয়ার্ডে গোলাম আলী চৌধুরী জামে মসজিদের সামনে পুকুর পাড়ে গেলে এস পাওয়ার প্ল্যান্টের চুরি করে নিয়ে যাওয়া সিঁধেল তার দেখতে পেয়ে বাঁশখালী থানা পুলিশ কে খবর দেন।

পরে বাঁশখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় চাম্বল ২ নং ওয়ার্ডের বিল্লা মিয়ার পুত্র আজগর ও আবুল কালাম প্রকাশ কালুর পুত্র মনি আলম বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ হাজার কেভি এক্সেল বি তার সহ প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে এসএস পাওয়ার প্লান্ট কতৃপক্ষ বাদী হয়ে ২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮-৯ অজ্ঞাতনামা দিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এসএস পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্টের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মেজর মশিউর রহমান বলেন, গত ১০ জানুয়ারী ২৬ ইং গভীর রাতে বাউন্ডারিতে অনুপ্রবেশ করে প্রজেক্টের ২নং গেইট সংলগ্ন দক্ষিন বাউন্ডারির কন্টিনার রুমের পাশে মাঠের উপর থেকে ১১ হাজার কেভি এক্সেল বি তার সহ নানা যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে। এ ঘটনায় এসএস পাওয়ার প্লান্ট কতৃপক্ষ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাম্বল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এস পাওয়ার প্ল্যান্টের চুরি হওয়া মামলা উদ্ধার করা হয়। এই চোর সিন্ডিকেট চক্র টি ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য ১৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণে বিনিয়োগ করা হয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বা ২৮ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পটিতে এস. আলম গ্রুপের অংশীদারিত্বের পরিমাণ ৭০ শতাংশ এবং বাকি ৩০ শতাংশের মালিকানায় রয়েছে চীনা কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচটিজি।
