পটিয়ায় অজ্ঞাত নারী মরদেহের পরিচয় মিলল

 

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

 

চট্টগ্রামের পটিয়ায় হাসপাতালে পড়ে থাকা অজ্ঞাত নারী মরদেহের

পরিচয় মিলেছে। তার নাম সুমী আক্তার (২১)। সে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উত্তর চরলক্ষ্যা গ্রামের জাকির মেম্বারের বাড়ীর মো আব্দুল্লাহর স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন একটি কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় এই নারীকে উদ্ধার করে স্থানীয় জনতা।

পরে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধারের সময় ওই নারীর পাশ থেকে একটি বিষের বোতল পাওয়া গেলেও এটি বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনা নাকি অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

দুপুরে কবরস্থানে ওই নারীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজন এগিয়ে যান। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে একটি বিষের বোতল পাওয়া যাওয়ায় প্রাথমিকভাবে বিষপানের ধারণা করা হলেও চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে বিষয়টি নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব জানান, প্রাথমিকভাবে ওই নারীর শরীরে বিষক্রিয়া বা বিষপানের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। তবে তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। বিষের বোতল পাশে পাওয়া গেলেও শরীরে বিষক্রিয়ার লক্ষণ না থাকায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সমীর ভট্টাচার্য্য জানান, এটি বিষপানে আত্মহত্যা, নাকি ধর্ষণের পর হত্যা বা অন্য কোনো কারণে মৃত্যু লতা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.