লকডাউনের শুরুতেই অলি-গলিতে অভিযান চালিয়ে ছোট-বড় দোকানি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে পর্যন্ত জরিমানা করে লাখ লাখ টাকা আদায় করেছেন ইউএনও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। যদিও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষেত্রে জরিমানার ক্ষেত্রে প্রথমে লঘু শাস্তি কিংবা সতর্কর্তার বিধান রয়েছে। তিনি কোনটিই করতেন না। সরাসরি কটু কথা বলে ক্ষমতার জোর দেখাতেন।
অথচ প্রশাসনের নাকের ডগাতেই চলছে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের অবৈধ গ্যাস ফিল্ড। সিলিন্ডার ভর্তি করে অবৈধ কার্ভাডভ্যান পুরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিক্রি হতো এসব গ্যাস। তিনি যোগদানের চার মাসের মাথায় এখানে ওখানে অভিযান চালালেও হাত লাগাননি এসব অবৈধ গ্যাস স্টেশনে। অথচ বর্তমান জেলা প্রশাসক চট্টগ্রামে যোগদানের পরপরই সব অবৈধ গ্যাস স্টেশন, অবৈধ বালু মহাল, ইটভাটা বন্ধের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি তোয়াক্কা করেননি এসব কোন কিছুরই।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিমাসে ৪০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নিতেন তিনি। মাসোহারা চোখ তুলেও তাকাতেন না সেদিকে। ইতোপূর্বের প্রশাসনকে এরচেয়ে কম মাসোহারা দিতে হলেও তিনি একলাফেই ৪০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।