পচা-বাসি ও রং মেশানো খাবার, জরিমানা ৪০ হাজার টাকা

চট্টগ্রামে রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুডের দোকানে বাসি ও রং মেশানো খাবার। বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন এনার্জি ড্রিংক।ওষুধে নেই মেয়াদ। এমন চিত্রই উঠে এসেছে নগরের প্রবর্তক মোড়, বিপ্লব উদ্যান, চিটাগং শ‌পিং ও কাজীর দেউ‌ড়ি এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানে।
সোমবার (১৫ নভেম্বর) বা‌ণিজ্য মন্ত্রণাল‌য়ের তত্ত্বাবধা‌নে, জাতীয় ভোক্তা-অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদফতরের মহাপ‌রিচালকের অ‌র্পিত ক্ষমতাব‌লে এবং জেলা প্রশাসক চট্টগ্রামের সা‌র্বিক সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অ‌ভিযা‌নে ৭ প্রতিষ্ঠান‌কে ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বি‌ভিন্ন ধারায় ৪০ হাজার টাকা প্রশাস‌নিক জ‌রিমানা করা হ‌য়ে‌ছে। অ‌ভিযা‌নে ‌অননু‌মো‌দিত এনার্জি ড্রিংক, রং, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, পণ্য ও বা‌সি খাবার ধ্বংস করা হয়। পাশাপা‌শি এক‌টি লি‌খিত অ‌ভি‌যোগ নিষ্প‌ত্তি করা হয়।

চট্টগ্রাম মে‌ট্রোপ‌লিটন পু‌লিশের সহায়তায় প‌রিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন অ‌ধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যাল‌য়ের সহকারী প‌রিচালক নাস‌রিন আক্তার, সহকারী প‌রিচালক (‌মে‌ট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা, ও চট্টগ্রাম জেলা কার্যাল‌য়ের সহকারী প‌রিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, অভিযানে পাঁচলাইশ থানার অধীন বিপ্লব উদ্যানের ফুড হাটকে পচা-বাসি খাবার ফ্রিজে বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় ৬ হাজার জ‌রিমানা করা হয়। ফুড ম্যাক্সাকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না ক‌রে খাবার বিক্রি করায় জ‌নৈক ভোক্তার অ‌ভি‌যো‌গের প্রেক্ষি‌তে ৪ হাজার টাকা জ‌রিমানাসহ সতর্ক করা হয়। একই প্রতিষ্ঠান‌কে ফ্রিজে বা‌সি খাবার সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়।

মিল্ক অ্যান্ড টি রেস্টুরেন্টকে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যোপকরণ ব্যবহার ও খাদ্যে অননুমোদিত রং ব্যবহার করায় ১০ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়। বায়েজিদ বোস্তামি সড়কের আলী স্টোরকে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রবর্তক মো‌ড়ের ক্যাফে সু‌ফিয়া রেস্টু‌রেন্ট‌কে রান্না করা খাবার অস্বাস্থ্যকর উপা‌য়ে খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ করায় ৬ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়।

নাসিরাবাদ এলাকার মা জেনারেল স্টোরকে বিক্রয় নিষিদ্ধ এনা‌র্জি ড্রিঙ্ক সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ফয়সাল মে‌ডি‌কো‌কে মেয়া‌দোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করায় ৪ হাজার টাকা জ‌রিমানাসহ সতর্ক করা হয়।

জনস্বা‌র্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাক‌বে বলে জানান মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.