নিজস্ব প্রতিবেদক
নৌকা ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়েছে সাতকানিয়া। এতে শিশুসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
আহতদের মধ্যে মারুফ (১০) নামের এক শিশু রয়েছে। অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
মারুফ খাগরিয়ার ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মো. এয়াকুবের ছেলে। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের জোড়ার কুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাতকানিয়া সার্কেল এএসপি মো. শিবলী নোমান।
এএসপি বলেন, দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে।
তবে এ ঘটনায় দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, সকাল থেকে আমি গণসংযোগ করছিলাম। জোড়ার কুলে যাওয়ার পর নৌকা প্রার্থী আক্তার হোসেনের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাদের লক্ষ্য করে তারা গুলি ছুড়ে। এতে এক শিশু গুলিবিদ্ধসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।আহতরা দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছন। এর আগেও তারা আমার অনুসারীদের ওপর হামলা করে বাড়িঘর ভেঙ্গে দেয়, এই বিষয়ে বুধবার রাতেও সাতকানিয়া থানায় আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম।
অভিযোগ অস্বীকার করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আক্তার হোসেন বলেন, অফিস উদ্বোধনের নাম দিয়ে জসিম উদ্দিন দুই-তিনশ লোক এনে অস্ত্রশস্ত্রসহ আমার এলাকার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার বেশ কয়েকজন লোক আহত হয়।
আর সেই মূলত আমার এলাকায় আসছে আমাকে এবং আমার অনুসারীদের উপর হামলা চালাতে।
কারণ গতরাতে অনেক লোক ডেকে তার বাড়িতে জমায়েত করে এমন নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলো জসিম।
আর না হলে প্রচারণা আর গনসংযোগের সময় হলো দুপুর ২টা থেকে জসিম আমার বাড়ির আশেপাশে সকালে কেন?সে তো তাহলে বিধিনিষেধও ভঙ্গ করলো নির্বাচনী প্রচারণায়।
আমি অবশ্যই এই অরাজকতার বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা নিবো, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্শান্বিত হয়ে সে (জসীম)পাগল হয়ে গেছে।