উখিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়ায় শহীদ মিনার ও উখিয়া প্রেসক্লাব সংলগ্ন কক্সবাজার টেকনাফ মহা সড়কের পাশেই ময়লা আর্বজনার বর্জ্য স্তুপের দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে রয়েছে বিভিন্ন রোগ বালাই সংক্রিমত হওয়ার শংকা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সম্ভবনা ও রয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উখিয়া শহীদ মিনার, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ও উখিয়া প্রেসক্লাব সংলগ্ন কক্সবাজার টেকনাফ মহা সড়কের পাশেই উখিয়া হাটবাজারের বেশ কিছু হোটেল ব্যবসায়ী ও দোকানদার কাউকে তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে বর্জ্য স্তুপ তৈরি করে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। কেননা, সীমান্ত জনপদ উখিয়া হচ্ছে একটি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা সেহেতু কক্সবাজার টেকনাফ মহা সড়ক দিয়ে বিদেশিদের আনাগোনাও বেশি। স্থানীয়দের অভিমত, এই বর্জ্য স্তুপের চতুর্পাশে রয়েছে। শহীদ মিনার, উখিয়া উপজেলা পরিষদ, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উখিয়া প্রেসক্লাব, এনজিও, আইএনজিও’র অসংখ্য অফিস থাকা শর্তেও এতদিন পর্যন্ত বিষয়টা কারুর নজরে আসেনি, এটা আসলে খুবই লজ্জাজনক একটি বিষয়। পথচারী’রা বলেন, বর্জ্য স্তুপের দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি । উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই। দ্রুত এই বর্জ্য স্তুপটি পরিস্কার করা না হলে। হয়তো, এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে আমরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্তও হতে পারি। কয়েকজন দোকানদার বলেন, আসলে ময়লা আবর্জনা ফেলবার মতো সেইরকম কোন ডাস্টবিন কিংবা যায়গা আমাদের নাই। এই জন্যই আমরা সড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলতে থাকি। উখিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাঈদ মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, এই বর্জ্যের স্তুপ আমাদের গণ স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটা হুমকি স্বরুপ, যেহেতু উখিয়া হচ্ছে একটি রোহিঙ্গা অধ্যুশিত এলাকা সে সুবাদে উখিয়া উপজেলায় বিদেশিদের আনাগোনাও অনেকটা বেশি। এক্ষেত্রে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করি, এমতাবস্থায় এই বর্জ্যের স্তুপ দ্রুত স্থানান্তর করে উখিয়ার গণমানুষকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে মুক্তি অনেকটা সময়ের দাবি। এইদিকে, বর্জ্য স্তুপের বিষয়টা নিয়ে এর আগেও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ব্যবসায়ী’দের সাথে বসে ছিলেন বলে শুনেছি। তবে, বিষয়টা জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, বর্জ্য স্তুপ নিয়ে ব্যবসায়ী’দের সাথে আমি বসেনি। মূলত, এসিল্যান্ড সাহেব বসেছিল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, বর্জ্য স্তুপের বিষয়টা নজরে এসেছে। পাবলিক হেলথ এর সাথে কথা বলে বিষয়টা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে, জানিয়েছেন।