মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দারুল ফজল মার্কেটের দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় হযরত আমানত শাহ মাজার এর পাশ্ববর্তী এতিমখানায় দোয়া মাহফিল ও রান্না করা খাওয়ার বিতরণসহ নগরীর বিভিন্ন মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় প্রার্থনার ব্যবস্থা করে মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
বক্তারা বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নরঘাতকরা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর স্বাধীন—সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী। বাঙালি জাতির জীবনে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ঘোর অমানিশার অন্ধকার। ঠিক এমনি ক্রান্তিলগ্নে সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জেল—জুলম ও অত্যাচার, হত্যাচেষ্টা কোনোকিছুই তাকে তার পথ থেকে এক বিন্দুও টলাতে পারেনি। শত প্রতিকূলতায়ও হতোদ্যম হননি কখনো। বাংলার মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বারবার আবির্ভূত হয়েছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা রূপে। শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ ধন্য। তিনি বাংলার মানুষের আশা আকাক্সক্ষার বাতিঘর।’
দেশের উন্নতির কথা বলে বক্তারা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের দিকে তাকালে বোঝা যায় কী বিস্ময়কর পরিবর্তনই না তিনি ঘটিয়েছেন দেশে! দেশকে ডিজিটালাইজেশন করে অর্থনৈতিক এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে নতুন যুগের সূচনা করেছেন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার বিস্ময়করভাবে কমিয়ে আনা, সামাজিক নিরাপত্তা—বেষ্টনী সৃষ্টি করে দারিদ্র্য বিমোচনে গতি সঞ্চারসহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এমন সব কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, যা মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়িয়ে, জীবনমান উন্নত করে বাংলাদেশকে নতুন যুগে প্রবেশ করিয়েছে। সুযোগ্য নেতৃত্বই একযুগ ব্যবধানে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশ আজ বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি বাঙালি জাতির স্বপ্নপূরণের সারথি।’
উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ—সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট তসলিম উদ্দিন, সুজিত দাশ, মনোয়ার জাহান মনি, আজাদ খান অভি, আবদুর রশিদ লোকমান, যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন, আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ খান, দেবাশীষ আচার্য্য এবং প্রচার সম্পাদক তোসাদ্দেক নূর চৌধুরী তপুসহ বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।