সাতকানিয়া সরকারী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, কাঞ্চনা এসবি ঘোষ ইনস্টিটিউট, আমিলাইশ- কাঞ্চনা বঙ্গচন্দ্র ঘোষ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রাম জেলা স্কুল বোর্ডের ১৬ বছরের সদস্য, কাঞ্চনা ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট, শহীদ বুদ্ধিজীবী রায়সাহেব কামিনী কুমার ঘোষ এর ৫১ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও স্মৃতি বৃত্তি -২০১৮-২০১৯ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ২১ মে সাতকানিয়া কাঞ্চনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগ এর কার্যনির্বাহী সদস্য, এমপি নদভী পত্নী মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী। মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী রায়সাহেব কামিনী কুমার ঘোষ স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টা অধ্যাপক শ্রী হারাধন নাগ। স্মৃতি স্যসদের সহ-সভাপতি অনুষ্ঠান ডা. মুহাম্মদ আব্দুল কাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসিফ ইকাবাল, ডা এয়াকুব হোসেন, কাঞ্চনা কে বি সি ঘোষ ইনিস্টিউট পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আমিন শফি, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নানসহ শহীদ বুদ্ধিজীবী রায়সাহেব কামিনী কুমার ঘোষ স্মৃতি সংসদ সদস্যবৃন্দ। অতিথিগণ বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগ এর কার্যনির্বাহী সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, হানাদার বাহিনীর দোসররা দেশের শিক্ষক , সাংবাদিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানীসহ বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের মতো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নৃশংসভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পঙ্গু এবং উন্নয়ন অগ্রগতি রুদ্ধ করতে চেয়েছিল। তাদের ধারনা ছিল, স্বাধীনতা অর্জন করলেও দেশ মুখ থুবড়ে পড়বে। কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। পৈশাচিক সেই সব হত্যাকাণ্ড জাতির জীবনে সৃষ্টি করেছে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করলেও তাঁদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতির অন্তরে প্রেরণা জাগিয়েছে। তিনি বলেন, পাক দোসরদের নির্মমতার শিকার সাতকানিয়ার এই কীর্তিমান মনীষীকে চির স্মরণীয়-বরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।