সারা বিশ্বে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ও নতুন সংক্রমণ সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় আরো কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে এক হাজার ৪১৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং একই সময়ে নতুন সংক্রমিত হয়েছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন। যা আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু দুই শতাধিক এবং নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার কম। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৩ লাখ সাত হাজার ৫৮৫ জনে এবং ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৯২ জনে।
শুক্রবার (২৭ মে) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে এসব জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫ হাজার ৫০০ জন শনাক্ত হয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। একই সময়ে প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্টে মারা গেছেন ২১৬ জন এবং নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৭ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ায় মারা গেছেন ৯১ জন এবং নতুন সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০০ জন। ফিনল্যান্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯৬৮ জন এবং মারা গেছেন ১১৬ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৯ জন এবং মারা গেছেন ৮৯ জন। তাইওয়ানে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৯০৭ জন এবং মারা গেছেন ১০৪ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ২৩৪ জন এবং মারা গেছেন ২৮ জন। দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮০০ জন এবং মারা গেছেন ৪৯ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৭৯৭ জন এবং মারা গেছেন ৩৪ জন। থাইল্যান্ডে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯২৪ জন এবং মারা গেছেন ৩৭ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৩২২ জন এবং মারা গেছেন ৯৪ জন। জাপানে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৬৯ জন এবং মারা গেছেন ৪৯ জন। ব্রাজিলে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩৬ জন এবং নতুন সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৯১০ জন।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় ৭২ জন, চিলিতে ১৬ জন ও কানাডায় ১৩১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। একই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে সংস্থাটি।