মহামারি করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন আরও কমছে। একইসঙ্গে কমছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। তবে গত ২৪ ঘণ্টায়ও সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে উত্তর কোরিয়ায়। আর মৃত্যুতে শীর্ষে উঠে এসেছে এবার তাইওয়ানের নাম।
রোববার (২৯ মে) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে এসব জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৯২ জন এবং ভাইরাসটিতে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৪ জন। যা আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় ছয়শ এবং নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা লক্ষাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৩ লাখ ১০ হাজার ২৪৫ জনে আর আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ১২ লাখ ২৫ হাজার ৭৬১ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায়ও বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে উত্তর কোরিয়ায় ৮৮ হাজার ৫৩০ জন। আর একই সময়ে তাইওয়ানে মারা গেছেন ১২৭ জন এবং নতুন সংক্রমিত হয়েছেন ৮০ হাজার ৮৮১ জন।
এছাড়া গত একদিনে ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৯৫ জন এবং মারা গেছেন ৪১ জন। রাশিয়ায় মারা গেছেন ৮৬ জন এবং নতুন সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ৫৫৬ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৯৭ জন। চিলিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৫০০ জন এবং মারা গেছেন ১০ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৫৮২ জন। দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪ জন এবং মারা গেছেন ১৪ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮২ জন এবং মারা গেছেন ৩৬ জন। থাইল্যান্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৮৮ জন এবং মারা গেছেন ৩৮ জন।
একই সময়ে ইতালিতে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ২৫৫ জন এবং মারা গেছেন ৬৬ জন। একইসময়ে জাপানে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৩৩৫ জন এবং মারা গেছেন ৩৯ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ৭০ জন এবং নতুন সংক্রমিত হয়েছেন ৫৫ হাজার ২৬১ জন। ভারতে নতুন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। অস্ট্রেলিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮১০ জন এবং মারা গেছেন ৫৮ জন। নিউজিল্যান্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৩৮ জন এবং মারা গেছেন ১১ জন। কানাডায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৪৪ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। একই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করেসংস্থাটি।