নিজস্ব প্রতিবেদক: বান্দরবানে ইউপিডিএফ(গণতান্ত্রিক) বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ বান্দরবান জেলা শাখার ১ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ জুলাই (বুধবার) সকালে বান্দরবান সদর থানার সভাপতি সোহাগ চাকমার সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি টিটু চাকমার উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক, অমল কান্তি চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য বরুন বিকাশ কার্বারি(গতি), বান্দরবান জেলার সংগ্রামী সভাপতি মংপ্রু মারমা(হেডম্যান)। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রহেল চাকমা ও কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক জেসলেন চাকমা প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় ও দলীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি।পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে এ যাবৎকালে আত্ননিয়ন্ত্রন অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলার সংগ্রামী সভাপতি উচিং মারমা,সংহতি বক্তব্য রাখেন বান্দরবান সদর থানার সদস্য হানুরং ত্রিপুরা এবং কেন্দ্রীয় সদস্য মন্টু চাকমা। বক্তারা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে সকালটা শুরু হয় জাতির ভাই হত্যার মধ্যদিয়ে শেষ হয় অনিশ্চিত জীবনযাপনের মধ্যদিয়ে।এমন এক পরিবেশ যখন পাহাড়ে সকল জাতিগোষ্টি নিরবে নিভৃত্তে নিপীড়নের শিকার হচ্ছি।জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে দলীয় যে ঘুনেধরা নেতৃত্ত তা আজ পাহাড়কে তীব্রভাকে সংকটে ঠেলে দিচ্ছে যা কোনদিন উত্তরনের উপায় খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল সংকট মোকাবেলা করে বৃহত্তর জুম্ম ঐক্যতা অতিব জরুরী।সমাজের, জাতির প্রয়োজনে যারা আজ ছাত্র সংগঠনে নেতৃত্ত দিচ্ছেন তাদের দৃঢ় শপথ হওয়া উচিত জাতির এই দুর্দিনকে উত্তরনের উপায় বের করা।পরে ক্যক্যছেইন মারমাকে সভাপতি, অরুন জ্যোতি তঞ্চঙ্গ্যা সাধারন সম্পাদক এবং অংঞোয়াই মারমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়। সম্মলনের সর্বশেষ পর্যায়ে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,ইউপিডিএফ(গণতান্ত্রিক)কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রী দীপন চাকমা ২১ জন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান এবং সভাপতি সোহাগ চাকমার বক্তব্যর মাধ্যমে সম্মেলন সমাপ্ত হয়।