নিজস্ব প্রতিবেদক
বাঁশখালীর এক ব্যক্তির সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠছে সাতকানিয়ার কাঞ্চনার এক প্রবাসীর পরিবার! এমন অভিযোগ ওঠেছে আব্দুল হক (কেনু) নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
গত শনিবার উপজেলার কাঞ্চনার ৩নং ওয়ার্ডে মীরপাড়া এলাকায় গিয়ে অভিযুক্ত কেনু কর্তৃক গাছ কাটা ও ধান চাষকে ধ্যুলিসাৎ করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেল-মীরপাড়ার মোঃমিয়ার ৪পুত্র আবুল কালাম,আবুল মুছা,আবুল ফয়েজ,আবুল ইলিয়াসরা সৌদি প্রবাসী সেই সুযোগে মূলত বাঁশখালীর কেনু শশুরবাড়িতে থাকার কারণে প্রতিবেশী প্রবাসী পরিবারের একেরপর এক জিনিষ ও ধনসম্পদ গাছপালা নষ্ট করে ক্ষতি করার কাজে লিপ্ত থাকে প্রায়সময়।
এদিকে সৌদিআরব প্রবাসী ইলিয়াছ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন- আমরা সৌদি আরবে থাকার সুবাদে বাশঁখালী থেকে আমাদের এলাকার ছাত্তারের ঘরে থাকা বাঁশখালীর খুনের মামলার এই দাগী আসামী আব্দুল হক কেনু,আমাদের পরিবারকে জিম্মীর মুখে রেখে প্রতিনিয়ত হুমকির দিয়ে যা ইচ্ছা তাই চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,সর্বশেষ গেল ২দিন আগে কেনু আমাদের ধানি জমিতে গিয়ে ধানের চারা উপড়ে ফেলে এবং পাশে পাড়ে থাকা গাছগুলি কেটে সাবাড় করে আমাদের ক্ষতিতে ফেলেছে আমরা তার বিচার চাই।
অতিশীঘ্রই আমি তার বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় গাছ কাটার মামলা দায়ের করব।
এতে আমি মিডিয়াসহ এলাকার সবার সহযোগিতা কামনা করি যেহেতু আমরা এলাকায় থাকিনা।
অপরদিকে, অভিযুক্ত কেনুর সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করেও না পাওয়ায় তার ছেলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমার পিতা এসবে জড়িত নই, এটা একসময় আমাদের ছিল এখন তারা দখলে নেয়ার পরে ওদিকে আর ফিরেও তাকিয়েও দেখিনা।
কিন্তু নাম প্রকাশে একাধিক স্থানীয়রা জানান, ইলিয়াছরা প্রবাসী হওয়ার কারণে মূলত কেনুর সন্ত্রাসী দাপটে অসহায় এটা সত্য।
এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিন শফি জানান, এটা নিয়ে কেনু আমার কাছে আসছিল, এটা দীর্ঘদিনের বিরোধ তাই আমি চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠিয়েছি।
মাঝখানে আমি একবার ধানচাষ বন্ধ রাখছি চেয়ারম্যান সাহেবের নির্দেশে। মূলত এখনো পরিষদে বিচারাধীন তাদের বিচারটা।