৩ বছরের বেশি অনাবাদী জমি খাস করা হবেঃ ইউএনও
বাঁঁশখালীর বিভিন্ন জায়গায় অনাবাদি জমিতে লাল পতাকা ও ব্যানার স্থাপন!
বাঁশখালী প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম জেলার বাঁঁশখালীর বিভিন্ন জায়গায় ব্যক্তিগত মালিকানার শত শত হেক্টর আবাদযোগ্য জমি অনাবাদী পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে এসব জমির টপ্সওয়েল নষ্টসহ হারাতে বসেছে আবাদের গ্রহণযোগ্যতা। এদিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় দেশের আবাদযোগ্য সব জমি আবাদের আওতায় আনার বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে, “জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো জমিই আবাদের বাইরে রাখা যাবে না।” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ও অনাবাদী পতিত জমি আবাদের আওতায় আনার নিমিত্ত আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সরেজমিনে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুজ্জামান চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান এর নেতৃত্বে পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর ও বৈলছড়ির বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য জমি বছরের পর বছর অনাবাদীই রয়ে গেছে। এসব অনাবাদী জায়গায় জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ও অনাবাদী পতিত জমি আবাদের আওতায় আনার নিমিত্তে তিন বছরের অধিক সময় অনাবাদি ব্যক্তি জমি খাস করার নিমিত্ত লাল পতাকা ও ব্যানার স্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ও অনাবাদী পতিত জমি আবাদের আওতায় আনার নিমিত্ত বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ি, কালীপুর,পুকুরিয়া, গুনাগরি,সাধনপুর ইউনিয়নের তিন বছরের অধিক সময় অনাবাদি ব্যক্তি জমি খাস করার নিমিত্ত লাল পতাকা ও ব্যানার স্থাপন করা হয়।অতি শীঘ্রই সমগ্র বাঁশখালী উপজেলায় তিন বছরের অধিক সময় অনাবাদি সকল জমি খাস করার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাইদুজ্জান চৌধুরী বলেন, চাষযোগ্য জমি অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। জমির শ্রেণি অনুযায়ী ফসল উৎপাদন করতে হবে। কোনো কৃষি জমি পরপর ৩ বছর অনাবাদী থাকলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার বিধান রয়েছে। কোনো ব্যক্তি তার জমি কৃষি কাজে ব্যবহার না করে পতিত রাখলে উক্ত জমি রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ৯২ (১)(গ) ধারা মোতাবেক খাস করণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় দেশের আবাদযোগ্য সব জমি আবাদের আওতায় আনার বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে, “জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো জমিই আবাদের বাইরে রাখা যাবে না।”এ সংক্রান্ত আদেশ আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। ফলে তারিধারাবাহিকতায় অতিসত্ত্বর এ বিষয়ে পুরো উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।