সাতকানিয়ায় সরকারি মাটি অবৈধ ভাবে বিক্রি করছে উপজেলা প্রশাসন নিজেই!

সৈয়দ আককাস উদদীন

সাতকানিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সের ভেতরে সরকারি বড় পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে, কিন্তু সংস্কারে খনন করা মাটি গুলি দেদার্সে বিক্রি হচ্ছে সাতকানিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসাবাড়িতে ও নর্দমা জলাশয় ভরাটে।

বিনিময়ে সরকারি পুকুরের সরকারি মাটি বিক্রি করে ৫ লক্ষাধিকেরও বেশী টাকা হাতিয়ে নিয়েছে খোদ উপজেলা প্রশাসন।

আজ ২৭শে এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় উপজেলা কমপ্লেক্সে সরেজমিন গিয়ে তার প্রমান পাওয়া যায়, শুধু তাই নই উপজেলা চত্বরের দক্ষিনে ওসমান মাঝির বাড়িতেই বিক্রি করা হয়েছে প্রায় ২লক্ষ টাকার মাটি।

ওসমান মাঝির বাড়িতে গিয়ে সরকারি মাটি দিয়ে ভিটা ও নর্দমা ভরাট করার দৃশ্যেরও দেখা মেলে।

সরকারি মাটি দিয়ে নিজেই ভরাট কাজ চালাচ্ছে বলে স্বীকারও করেন ওসমান মাঝি। এবং তিনি আরো বলেন, নলুয়ার ঠিকাদার আরিফ থেকে টাকা দিয়ে এই সরকারি মাটি কিনেছি।

 

এদিকে সরকারি মাটি বিক্রি করার বৈধতা আছে কিনা এবং বিক্রি করলেও ওই টাকা সরকার পাচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার কখনো ব্যবসা করেনা আর সরকারি পুকুরের মাটি দিয়ে শুধু সরকারি জায়গা ভরাট করা যাবে। বাইরে বিক্রির প্রশ্নও আসেনা।

তবে বাইরে কেন বিক্রি হলো এমন প্রশ্নের প্রতি উত্তরে বলেন, ঠিকাদার এমন কাজ করে থাকলে তদন্ত করে তার বিল আটকিয়ে দিবো।
কিন্তু এই বিষয়টা দেখভাল করে ইন্জিনিয়ার পারভেজ সরোয়ার।

এদিকে প্রকৌশলী পারভেজ সরোয়ার সরকারি মাটি বাইরে বিক্রি করার কথা অকপটে স্বীকার করে বলেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশেই গাড়ী ভাড়ার জন্য বাইরে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে তবে আপনি যে এমাউন্ট পরিমান বলেছেন এতটুকু বিক্রি করা হয়নি।

সরকারি পুকুর খননের জন্য কি সরকার থেকে টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়নি? খনন কাজে খরচ করার জন্য? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই বরাদ্ধ করা হয়েছে তবে আনুষঙ্গিক খরচের জন্য বাইরে কিছু বিক্রি করা হয়েছে তবে বেশী না, সব কিন্তু ইউএনও স্যার জানে।

তবে ইউএনও সাহেব বলেছেন বিক্রি করার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেননা সব আপনিই জানেন এটা কি ভাবে দেখছেন?

তখন প্রককৌশলী পারভেজ সরোয়ার প্রতি উত্তরে বলেন,বললে হবে নাকি, সব জানেন স্যারে!

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.