বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়ায়া বরুমছড়া এলাকার পানি চলাচলের শত বছর পুরনো ছড়ার উপর সরকারী খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে ভবন নির্মাণ অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলী বিভাগের রোড় সুপারভাইজার নাজিম উদ্দীন প্রকাশ গুরা মিয়ার বিরুদ্ধে।
নাজিম উদ্দীন গুরা মিয়া ও ভাইয়েরা বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউপির বরুমছড়ায় ৩ তলা পাকা বাড়ি ছাড়াও তিনি এখন বেশ কয়েকটি বাড়ির মালিক। গত ১৩ বছরের ব্যবধানে বহু জমির মালিক হওয়া ছাড়াও হরেক রকম ব্যবসাও দাঁড় করিয়েছেন। সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ তো আছেই।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান,পুকুরিয়া ইউনিয়নের ২ বছরের পুরনো ছড়াটির সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত জমি জখল করে নাজিম উদ্দীন (গুরা মিয়া)
এই বিল্ডিং স্থাপন করেন। সে সিটি করপোরেশন প্রকৌশল বিভাগের রোড় সুপারভাইজার মাত্র। একাধিক ব্যাংক হিসেবে রয়েছে তার কোটি কোটি টাকা। চট্টগ্রাম শহরের অভিজাত এলাকায় বসবাস করা ছাড়াও চড়েন নামী দামি গাড়িতে। নাজিম উদ্দীন এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলার সাহস পায়না। তার কলেজ পড়ুয়া দুই জমজ ছেলে এলাকায় দাপটের সহিত ঘুরে বেড়ান ইয়ামাহা কোম্পানীর রয়েল এনফিল্ড নিয়ে। এভাবে হঠাৎ রাতারাতি আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নানান গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাজিম উদ্দীন প্রকাশ গুরা মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এটি আমার জায়গায় আমি বিল্ডিং করতেছি। বিল্ডিং এর সামনে ছড়ার উপর দোকান গুলো মিস্ত্রি ভুলক্রমে করে ফেলেছে।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ওমর সানি আকন বলেন, পুরনো ছড়া খাস জমি দখল করে ভবন নির্মাণের খবর পেয়েছি, ইতিপূর্বে বানীগ্রাম ভূমি অফিসের তহসিলদারকে পাঠিয়েছি। তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।