মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পাচারের সময় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে দুটি দেশীয় এলজি বন্দুকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তার অফিসের সামনের চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে গাড়িটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়েছিল।
গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে লোহাগাড়া থানাধীন চুনতি ইউনিয়নের চুনতি রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে স্থাপিত পুলিশ চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এসআই (নিরস্ত্র) মাঈন উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ দায়িত্ব পালনকালে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দেন। কিন্তু চালক পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে গাড়িটি দ্রুতগতিতে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।
পরে পুলিশ তাৎক্ষণিক ধাওয়া দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে চুনতি সরকারি মহিলা কলেজ গেটের সামনে গাড়িটির গতিরোধ করতে সক্ষম হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গাড়িটি তল্লাশি চালিয়ে পিছনের সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি শপিং ব্যাগের ভেতর কালো পলিথিনে মোড়ানো দুইটি দেশীয় তৈরি এলজি বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
একই সঙ্গে অস্ত্র কেনাবেচার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে সন্দেহভাজন দুইটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার হোসাইন আহম্মেদ (৪২), কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী থানার মোহাম্মদ আয়াতুল্লাহ (২৭) এবং ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মো. আসাদুজ্জামান।
লোহাগাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও জব্দকৃত আলামত জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।